Malda | প্রতিশ্রুতির পরও শুরু হয়নি কাজ! গঙ্গার গ্রাসে তলিয়ে যাওয়ার আতঙ্কে পঞ্চানন্দপুর

Malda | প্রতিশ্রুতির পরও শুরু হয়নি কাজ! গঙ্গার গ্রাসে তলিয়ে যাওয়ার আতঙ্কে পঞ্চানন্দপুর

শিক্ষা
Spread the love


সেনাউল হক, মোথাবাড়ি: একদিকে যখন সামান্য হলেও বাড়ছে গঙ্গার জল, অন্যদিকে ঠিক তখনই রাতের ঘুম উড়েছে মালদার (Malda) মোথাবাড়ির (Mothabari) পঞ্চানন্দপুরের বাসিন্দাদের। কারণ, এখনও পর্যন্ত ভাঙন প্রতিরোধে কোনও কাজকর্মই ওই এলাকায় শুরু হয়নি। ফলে ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকার মানুষ। নয়দিন আগে পঞ্চানন্দপুর ফেরিঘাট এলাকায় ব্যাপক গঙ্গাভাঙন শুরু হয়। তারপর থেকেই রীতিমতো দুশ্চিন্তায় দিন গুনছেন এলাকার মানুষ। বিধায়ক থেকে শুরু করে ব্লক দপ্তরের আধিকারিক, সকলেই পরিদর্শনে এসে শীঘ্রই ভাঙন এলাকায় কাজ শুরুর প্রতিশ্রুতি দিলেও এখনও কাজ শুরু না হওয়ায় আতঙ্কে দিন গুনছেন সকলে।

মোথাবাড়ির পঞ্চানন্দপুর ভাঙনকবলিত এলাকা। সেখানকার বেশিরভাগ মানুষ খেটে খাওয়া সাধারণ দিনমজুর। তাই ভাঙনের কথা শুনলেই তাদের বুক কেঁপে ওঠে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিধায়ক এসে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন খুব শীঘ্রই ভাঙন প্রতিরোধের কাজ শুরু হবে। অথচ নয়দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত কোনও কাজই হয়নি। যদিও মোথাবাড়ির তৃণমূল বিধায়ক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি সেচ দপ্তরে জানানো হয়েছে। এমনকি রাজ্য সরকারকেও জানানো হয়েছে। আশা করছি কাজ শুরু হবে।’

ন’দিন আগের রাতে বিশেষ করে পঞ্চানন্দপুর (Panchanandapur) ফেরিঘাট এলাকায় প্রথম ভাঙন শুরু হয়েছিল। ওই ফেরিঘাট দিয়ে শত শত মানুষ ঝারখান্ড সহ বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে থাকেন। কিন্তু ফেরিঘাটের ভাঙনের পরও এখনও কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় মাঝি থেকে শুরু করে এলাকার বাসিন্দা, সকলেই আতঙ্কে রয়েছেন। পঞ্চানন্দপুরের বাসিন্দা এক মাঝি জানান, সেদিন রাতে যেমন ভয়ানক ভাঙন শুরু হয়েছিল সেরকম চলতে থাকলে গোটা নদীঘাট আবার গঙ্গায় তলিয়ে যাবে। তাই আগে থেকে প্রশাসনের সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। নদীঘাট সহ যে জায়গাগুলিতে ভাঙন হয়েছে সেগুলিতে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ শুরু করে দেওয়া দরকার ছিল। কিন্তু এখনও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এলাকার বাসিন্দা মুজিবর রহমান বলেন, ‘যেদিন থেকে ভাঙন শুরু হয়েছে তারপর থেকে এলাকার মানুষ প্রচণ্ড আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। কারণ এর আগের বছরের প্রবল ভাঙনের ফলে গঙ্গা গ্রামের দিকে অনেকটাই এগিয়ে এসেছে। সুলতানটোলা, বিনটোলা সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ এখন শুধু গঙ্গার দিকে চেয়ে থাকছেন। মাঝেমধ্যেই গঙ্গার গর্জন শোনা যাচ্ছে।’

বিনপাড়ার বাসিন্দা ঊর্মিতা মণ্ডল জানান, গত বছর বাঁশের খাঁচা দিয়ে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু সেই খাঁচা দিয়ে ভাঙন রোধ করা যায়নি। বর্তমান অবস্থায় তাঁদের আবেদন যেন পাথর দিয়ে ভালোভাবে পাড় বাঁধাই করা হয় এবং খুব শীঘ্রই সেই কাজ শুরু করা হয়। তাহলে গ্রামের মানুষ অন্তত নিশ্চিন্তে একটু ঘুমাতে পারবেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *