রায়গঞ্জ ও বালুরঘাট: স্ক্রুটিনির পর মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় (Madhyamik advantage listing) জায়গা করে নিল রায়গঞ্জের (Raiganj) আরও দুই ছাত্রী। প্রশস্তি সেন ও সৃজা বসাক প্রথম দশের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে। নম্বর বাড়ার ফলে প্রশস্তি রাজ্যে অষ্টম ও সৃজা নবম স্থান অধিকার করল। অন্যদিকে, বালুরঘাট হাইস্কুলের সোহম চাকির তিন নম্বর বাড়ায় সেও রাজ্যে নবম স্থান দখল করল। তার বাড়ি বালুরঘাটের বেলতলা পার্ক এলাকায়।
প্রশস্তির ভূগোলে তিন নম্বর বেড়েছে। তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ৬৯০। বর্তমানে রায়গঞ্জ করোনেশন উচ্চবিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিভাগে পাঠরত সে। প্রশস্তির কথায়, ‘ফলপ্রকাশের পর নম্বর দেখে বুঝতে পারি আরেকটু বেশি নম্বর পাওয়া উচিত ছিল। সেজন্য স্ক্রুটিনি করি। এখন রাজ্যের মেধাতালিকায় জায়গা করে নিতে পেরে আমি ভীষণ খুশি।’ অন্যদিকে, রায়গঞ্জ গার্লস হায়ার সেকেন্ডারির অপর এক ছাত্রী সৃজার জীবনবিজ্ঞান ও ভূগোলে নম্বর বেড়ে প্রাপ্ত নম্বর হয়েছে ৬৮৯।
সেও এখন রায়গঞ্জ করোনেশন উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী। বালুরঘাটের সোহমের বাবা সুরজিৎপ্রসাদ চাকি চকরাম হাইস্কুল ও মা রুমকি সরকার খাসপুর গার্লস হাইস্কুলের শিক্ষক। সুরজিৎ বলেন, ‘ফলপ্রকাশের দিন টিভির সামনে ঠায় বসে ছিলাম। সকলেরই আশা ছিল ছেলে মেধাতালিকায় থাকবে। কিন্তু জীবনবিজ্ঞানের নম্বর অনেকটা কম আসে। স্ক্রুটিনি করে এক নম্বর বেড়েছে। কিন্তু আমরা এটা নিয়ে আরটিআই করব।’ যদিও ভূগোলে দুই নম্বর বেড়েছে সোহমের। তার স্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্রীজিৎ সাহা বলেন, ‘সোহমের প্রথমেই মেধাতালিকায় আসা উচিত ছিল। স্ক্রুিটনি করে যে সে মেধাতালিকায় আসবেই, তা আমাদের আগে থেকেই জানা ছিল।’

