Jalpaiguri Municipality | অনাস্থা কাঁটার মাঝেই নতুন অস্বস্তি, ভাইরাল ‘জল চোর সৈকত’ গান

Jalpaiguri Municipality | অনাস্থা কাঁটার মাঝেই নতুন অস্বস্তি, ভাইরাল ‘জল চোর সৈকত’ গান

শিক্ষা
Spread the love


সৌরভ দেব, জলপাইগুড়ি: সেই ‘মাছ চোর’ গানটার কথা তো নিশ্চয়ই মনে আছে? এবার গানের দুনিয়ায় হাজির ‘জল চোর’। জলপাইগুড়ি পুরসভার (Jalpaiguri Municipality) চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে তৈরি এমনই একটি গান এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে (যদিও ভাইরাল হওয়া গানের সত্যতা উত্তরবঙ্গ সংবাদ যাচাই করেনি)। চায়ের ঠেক থেকে রাজনৈতিক মহল, সর্বত্রই এখন এই গান নিয়ে দারুণ কানাকানি চলছে। এমন সময় গানটি ভাইরাল হয়েছে, যখন পুরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কাউন্সিলারদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব নিয়েও শহরে জোর চর্চা চলছে।

কে বা কারা, কীভাবে গানটি তৈরি করেছেন, তা অবশ্য জানা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে সৈকত বলেন, ‘কাউকে চোর বলতে হলে তার সপক্ষে তথ্য দরকার। কেউ এখনও পর্যন্ত আমার নামে একটিও দুর্নীতি প্রমাণ করতে পারেনি, আগামীতেও পারবে না। যখন আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রমাণ করতে পারছে না তখন এই ধরনের গান সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে সম্মানহানি করা হচ্ছে। এটা সম্পূর্ণ একটা রাজনৈতিক চক্রান্ত। কিছু ফেসবুক বিপ্লবী রয়েছেন যাঁরা এগুলো করছেন। যে বা যারা এই গান ভাইরাল করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেব।’

রাজনীতিতে গান নতুন কিছু নয়। বিধানসভা ভোটের সময় ভাঙড়ের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শওকত মোল্লাকে নিয়ে ‘মাছ চোর’ গানটি ব্যাপক ভাইরাল হয়েছিল। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সেই গান আট থেকে আশির মুখে মুখে ঘুরেছিল। এবার জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আসতেই গান আবারও ফিরে এল। নাম বদলে অবশ্য ‘জল চোর’ হয়েছে।

আম্রুত জলপ্রকল্প নিয়ে জলপাইগুড়ি পুরসভার অবস্থা নাস্তানাবুদ। চেয়ারম্যান হিসেবে সৈকত বিভিন্ন সময়ে প্রকল্প নিয়ে নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও শহরের বহু মানুষ এখনও প্রকল্পের জল থেকে বঞ্চিত। তাই গানের শুরুতেই এসেছে ‘জলচোর শহরের পাঁচালি’। পরে সরাসরি সৈকতের নাম করে অভিযোগ তোলা হয়েছে, ‘তিস্তার বালি কাটে নদী করে’। ছন্দ মিলিয়ে বলা হয়েছে, প্রকল্পের টাকা মেরে মুখে মাখেন কালি। গানে সৈকতের বিরুদ্ধে গোরু পাচারের অভিযোগও তোলা হয়েছে।

এখানেই অবশ্য গান থামেনি। কয়েক বছর আগে কর্তব্যরত এক পুলিশ কনস্টেবলকে চড় মারার অভিযোগ এবং সম্প্রতি এক স্কুল শিক্ষিকাকে কান ধরে ওঠবস করানোর অভিযোগও গানে এসেছে। সম্প্রতি পুরসভার সাফাইকর্মীদের সময়ে বেতন না হওয়া এবং শহরে নিয়মিত জঞ্জাল অপসারণ না হওয়ার বিষয়টিও সৈকতের ব্যর্থতা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা পর্বে এমন গান ভাইরাল হওয়াকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই রাজনৈতিক মহল মনে করছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *