ছেলের মাসপূর্তিতে উপহারের সম্ভার! খেলনা থেকে মিক্সার মেশিন, দেখিয়ে কী বললেন ইউটিউবার সুস্মিতা?

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


প্রেম, বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ, সন্তান হারানোর যন্ত্রণা ভুলে শুভাশিষের সঙ্গে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন অভিনেত্রী-ইনফ্লুয়েন্সার সুস্মিতা রায়। দীর্ঘ সাত বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে সুস্মিতার কোল আলো করে এসেছে ফুটফুটে পুত্রসন্তান। ছেলের জন্মের মাসপূর্তিতে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেদিনই প্রথম ‘জুনিয়র’-এর মুখদর্শন করিয়েছেন শুভাশিষ-সুস্মিতা। বিশেষ দিনে তাঁদের একমাত্র সন্তান ‘সিডো’র মুখ প্রকাশ্যে এনেছেন দম্পতি। ছোট্ট সোনার সঙ্গে কাটানো মিষ্টি মুহূর্তগুলো সমাজমাধ্যমে শেয়ার করেন সুস্মিতা। সিডোর একমাস উদযাপনে উপচে পড়ছে উপহার!

সাম্প্রতিক ভিডিওতে সুস্মিতা দেখালেন ছোট্ট সিডো কী কী উপহার পেল? ছেলেকে কোলে নিয়েই উপহার দেখালেন সুস্মিতা। সাহায্য করলেন পরিবারের এক সদস্য। সঙ্গে রয়েছেন দাদু, ঠাকুমা প্রত্যেকেই। অনুষ্ঠানের পর উপহারগুলো দেখার জন্য সকলেই যেন একেবারে অস্থির হয়ে উঠেছিল। সত্যিই তো উপহার দেখার একটা আলাদাই মজা। একদিকে যখন রান্নাঘরে প্রেসার কুকারে সিটি পড়ছে তখন ঘুমন্ত ছেলেকে কোলে নিয়ে কী কী দেখালেন সেলেব মম সুস্মিতা রায়?

আরও পড়ুন:

প্রথমেই দেখালেন ছোট্ট সিডো পেয়েছে একটা খেলনা আম। জামা কাপড়ের বেশ কয়েকটি সেট উপহার পেয়েছে। যেগুলো একটু বড় হলে পরতে পারবে। উপহার খোলার মাঝে সুস্মিতা সিডোর তরফে সকলকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন। বেবি কেয়ারের সেট দেখে খুব খুশি সুস্মিতা। পাশ থেকে শোনা যাচ্ছে, দাদু বলছেন, “কত খেলনা এসেছে।”

একমাসের সিডো পেয়েছে মিক্সার মেশিনও। সেটা দেখে সুস্মিতার প্রতিক্রিয়া, “একটু বড় হলে তখন কাজে লাগবে।” উপহারগুলো দেখানোর শেষে সুস্মিতার সংযোজন, “এত দ্রুত বড় হয়ে যাচ্ছে যে কিছু উপহার খুলে ফেলতে বললাম, নাহলে ছোট হয়ে যাবে।”

সোশাল মিডিয়ায় খুবই স্বক্রিয় সুস্মিতা। আর হবে নাই বা কেন? তিনি তো পেশাতেই একজন সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার। সপ্তাহান্তে মনের মানুষের সঙ্গে জলের মধ্যে রোম্যান্টিক মুহূর্তের ছবি শেয়ার করে আবেগে ভেসেছেন। যার ক্যাপশনে লেখা, ‘কিছু স্মৃতি ছবিতে থাকে, কিন্তু তোমার সঙ্গে স্মৃতিগুলো চিরকাল আমার হৃদয়ে অমলিন হয়ে থাকবে।’

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *