কুকুরের মাংস খান! তীব্র গরম থেকে বাঁচতে ‘আজব’ দাওয়াই

কুকুরের মাংস খান! তীব্র গরম থেকে বাঁচতে ‘আজব’ দাওয়াই

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


তাঁর খামখেয়ালিপনায় অতিষ্ঠ দেশবাসী। চূড়ান্ত বিরক্ত আন্তর্জাতিক মহলের একটা বড় অংশও। নিজের দেশে নিজের মর্জিমতো নিয়মকানুন চাপিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক তৈরি করেছেন। এবার তীব্র গরম থেকে রক্ষা পেতে দেশবাসীকে ‘আজব’ রেসিপি বাতলে দিলেন সেই শাসক। কুকুরের মাংসের স্যুপ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হল! তাতে নাকি দাবদাহের সঙ্গে লড়তে শরীর বাড়তি শক্তি পাবে। যদিও চিকিৎসকরা সাফ জানিয়েছেন, ডাক্তারি শিক্ষায় এমন কোনও সুবিধার কথা জানা নেই তাঁদের।

গরমে অসুস্থ হয়ে পড়া থেকে নিজেকে বাঁচাতে কুকুরের মাংসের স্যুপ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে উত্তর কোরিয়া প্রশাসন। ‘স্বৈরাচারী’ কিম জং উনের এও এক খামখেয়াল! ওদেশে এখন তীব্র গরম। তাপমাত্রার পারদ ঊর্ধ্বমুখী। এর সঙ্গে যুঝতে না পেরে লোকজন অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত থাইরয়েডের অসুখে ভুগছেন। অন্যান্য বছরও এই গরমের সুস্থ থাকতে তরল খাবার বেশি খান নাগরিকরা। তরমুজ, শশা, মুগ ও রেডবিন পোরিজ – এসব ছিল মূল খাবার। কিন্তু এবছর পিয়ংইয়ংয়ের পরামর্শ, কুকুরের মাংসের স্যুপ খান।

যদিও উত্তর কোরিয়ায় গ্রীষ্মের সঙ্গে এই খাবারের যোগ নতুন নয়, বহু পুরনো এবং ঐতিহ্যবাহী। চিরাচরিত বিশ্বাস, এই পদ নাকি গ্রীষ্মকালে মানুষকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। কুকুর মাংসের স্যুপ বিশেষভাবে তৈরি করে, এমন একাধিক রেস্তরাঁর রীতিমতো নামডাক আছে সেখানে। রান্নার প্রতিযোগিতাও হয়। ইদানিংকালে কুকুর হত্যার বিষয়টি আইন দ্বারা সীমাবদ্ধ। আর আইন এড়িয়ে তা জোগাড় করতে গেলে মোটা খরচ হয়। ফলে সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ায় কুকুরের মাংস খাওয়ার অভ্যেস কমেছে অনেক। এবছর আবার সেই পুরনো ‘ঐতিহ্য’ উসকে উত্তর কোরিয়ার সংবাদমাধ্যমে জোর আলোচনা, সূর্যের প্রখর জ্বালা থেকে সুস্থ থাকতে প্রশাসন ফের কুকুর মাংসের স্যুপ খাওয়ায় জোর দিচ্ছে। কিন্তু এমন পরামর্শে সায় নেই চিকিৎসকদের। তাঁদের মত, এখনও এমন কোনও প্রমাণ নেই যে এই স্যুপ খেলে শরীরে বাড়তি প্রতিরোধ ক্ষমতা জন্মায়।

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *