Jadavpur | যাদবপুরে রাতের বৈঠকের পর নাটকীয় পরিস্থিতি, গেটের সামনে পড়ে গেলেন উপাচার্য!

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ যাদবপুর (Jadavpur) বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বৈঠক শেষ হওয়ার পরই নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। সোমবার রাত সওয়া ৯টা নাগাদ অরবিন্দভবন থেকে বেরিয়ে ‘সি আর ওয়ান’ গেটের সামনে পড়ে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। তাঁর সঙ্গে থাকা নিরাপত্তারক্ষীরা পরে তাঁকে গাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দেন।

ঘটনাকে ঘিরে অবশ্য তৈরি হয়েছে ভিন্ন দাবি। আরএসএফের ইন্দ্রানুজ রায়ের দাবি, উপাচার্যকে কেউ ধাক্কা দেননি বা তাঁর গায়ে হাতও দেওয়া হয়নি। তাঁর অভিযোগ, ঘটনাটি নিয়ে উপাচার্য ‘নাটক’ করছেন। এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত উপাচার্যের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সোমবার বিকেল থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক চলছিল। সেখানে উপাচার্য, সহ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, কয়েক জন শিক্ষক এবং বামপন্থী ছাত্র (Pupil) সংগঠন ও এবিভিপির প্রতিনিধিরা অংশ নেন। যদিও বৈঠক চলাকালীন এবিভিপির ছাত্র প্রতিনিধিরা বেরিয়ে যান।

বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা বৈঠকে একাধিক দাবি তুলে ধরেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, দাবি পূরণ না হলে বৈঠকে থাকা উপাচার্য, সহ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার-সহ শিক্ষকদের ঘেরাও করা হবে। ছাত্রদের মূল দাবিগুলির মধ্যে ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট গ্রিভান্স রিড্রেসাল সেলের চেয়ারম্যানের পদ থেকে বুদ্ধদেব সাউকে সরানো এবং তদন্ত চলাকালীন তাঁকে ক্লাস নেওয়া থেকে বিরত রাখা।

এছাড়াও তদন্ত কমিটি পুনর্গঠন করে তাতে ছাত্র প্রতিনিধিকে রাখার দাবি ওঠে। বুধবার গভীর রাতের ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে যাঁদের দেখা গিয়েছে, শিক্ষক-পড়ুয়া নির্বিশেষে তাঁদের সকলকে সাসপেন্ড করার দাবিও জানানো হয়। বৈঠক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানা যায়। কলকাতা হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি প্রণবকুমার চট্টোপাধ্যায়কে তদন্ত কমিটির নতুন চেয়ারম্যান করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভেঙে দেওয়া হয়েছে ‘স্টুডেন্ট গ্রিভান্স রিড্রেসাল সেল’। তবে সিদ্ধান্তের পরও পুরোপুরি কাটেনি উত্তেজনা। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে (Campus) বামপন্থী ছাত্রদের একাংশ এখনও অবস্থানে রয়েছেন। পরবর্তী কর্মসূচি কী হবে, তা নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা চলছে।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতির মধ্যে উপাচার্যের পড়ে যাওয়ার ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠনগুলির চাপানউতোর শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, এখন সেদিকেই নজর।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *