Gangarampur | ‘হাসপাতাল নরকে পরিণত…’, পরিকাঠামো উন্নয়নে বিধায়ক তহবিলের ২৫ লক্ষ টাকা দিলেন সত্যেন্দ্রনাথ রায়

Gangarampur | ‘হাসপাতাল নরকে পরিণত…’, পরিকাঠামো উন্নয়নে বিধায়ক তহবিলের ২৫ লক্ষ টাকা দিলেন সত্যেন্দ্রনাথ রায়

শিক্ষা
Spread the love


জয়ন্ত সরকার, গঙ্গারামপুর: গঙ্গারামপুর (Gangarampur) সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের উন্নয়নে নিজের বিধায়ক তহবিল (MLA fund) থেকে ২৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করলেন গঙ্গারামপুরের বিজেপি বিধায়ক সত্যেন্দ্রনাথ রায়। সোমবার দুপুরে হাসপাতালের বিভিন্ন আধিকারিকদের নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর এই ঘোষণা করেন তিনি। হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা আরও উন্নত করতে এবং রোগীদের রেফারের সমস্যা কমাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান বিধায়ক।

সোমবার দুপুর তিনটা নাগাদ গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে প্রায় এক ঘণ্টার একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের সুপার, জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক, দক্ষিণ দিনাজপুর (South Dinajpur) জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক (এডিএম), গঙ্গারামপুর মহকুমা শাসক সহ স্বাস্থ্য দপ্তরের একাধিক আধিকারিক ও গঙ্গারামপুর হাসপাতালের ডাক্তাররা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কুশমন্ডি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তাপস চন্দ্র রায়।

বৈঠকে হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নয়ন, চিকিৎসা পরিষেবার মান বৃদ্ধি, বেড সংখ্যা বাড়ানো এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এদিন গঙ্গারামপুরের বিধায়ক নিজের তহবিল থেকে ২৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করার পাশাপাশি কুশমন্ডির বিধায়কের কাছেও ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার অনুরোধ জানান। একই সঙ্গে জেলার সাংসদ সুকান্ত মজুমদার-এর কাছেও ১৫ লক্ষ টাকা আর্থিক সহযোগিতা চাওয়া হবে বলে জানান তিনি।

বৈঠক শেষে বিধায়ক সত্যেন্দ্রনাথ রায় বলেন, “গঙ্গারামপুর হাসপাতাল এতদিন কার্যত নরকে পরিণত হয়েছিল। হাসপাতালে দালাল চক্র সক্রিয় ছিল। আজকের বৈঠকে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ডাক্তারদের সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আট ঘণ্টা ডিউটি করতে হবে। অযথা রোগী রেফার করা চলবে না। হাসপাতালের ভিতরে ও বাইরে যে অবৈধ দোকানগুলি রয়েছে, সেগুলিও সরিয়ে দেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, “হাসপাতালকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং বেড সংখ্যা বাড়াতে হবে। উন্নত চিকিৎসার জন্য আরও দক্ষ চিকিৎসক নিয়ে আসতে হবে। বর্তমানে হাসপাতালের ল্যাপরোস্কপি মেশিন সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র বিকল হয়ে রয়েছে। অপারেশনের সময় পর্যন্ত মেশিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে। বিগত সরকার এই বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। তাই নতুন মেশিন কেনার জন্য আজ আমার এমএলএ ফান্ড থেকে ২৫ লক্ষ টাকা দিলাম।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *