উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ পিত্তথলিতে পাথর বা গলব্লাডার স্টোন(Gallbladder stones) খুবই পরিচিত একটি সমস্যা। কিন্তু অনেকে এই স্বাস্থ্য সমস্যাকে অবহেলা করেন। যকৃৎ থেকে নিঃসৃত পিত্তরস চর্বি হজমে সাহায্য করে। এই পিত্তরস সংরক্ষণে কাজ করে একটি ছোট থলি, যার নাম পিত্তথলি বা গলব্লাডার। কোনো কারণে যদি পিত্তরসের উপাদান ভারসাম্য হারায়, তখন পিত্তথলিতে পাথরের সৃষ্টি হয়।
কেন হয়, কারা ঝুঁকিতে?
পিত্তরসে প্রধানত জল, কোলেস্টেরল ও অন্যান্য নুন থাকে। যখন কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে যায় অথবা পিত্তথলি সঠিকভাবে খালি না হয়, তখন পিত্তরস ঘন হয়ে জমাট বাঁধতে শুরু করে এবং পাথরের সৃষ্টি হয়। তবে পিত্তথলিতে পাথর পুরুষের চেয়ে নারীদের বেশি হয়। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী, ৪০ বয়সী নারী ও পুরুষ, যাঁরা কম শারীরিক পরিশ্রম করেন বা দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকেন, তাঁদের পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বেশি।
লক্ষণ ও করণীয়
পিত্তথলিতে পাথর হলে তাকে ‘নীরব’ রোগ বলা হয়। প্রাথমিক অবস্থায় এর তেমন কোনো উপসর্গ দেখা যায় না। অধিকাংশ মানুষ জানতেই পারেন না যে তাঁর পিত্তথলিতে পাথর হয়েছে। তবে চর্বিযুক্ত খাবার খেলে হঠাৎ তীব্র ব্যথা, সাধারণত পেটের ডান দিকে বা মাঝখানে ব্যথা শুরু হয়। একই সঙ্গে হতে পারে বমি, জ্বর, হজমে সমস্যা। এমন ব্যথা হলে অনেকে সাধারণত তা গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা মনে করে অবহেলা করেন। পিত্তথলির পাথর(Gallbladder stones) প্রতিরোধের জন্য স্বাস্থ্যকর জীবনধারা মেনে চলা খুবই জরুরি। নিয়মিত হাঁটা, চর্বিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা, ওজন নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত জল পান ও সুষম খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে এই সমস্যা অনেকটাই এড়ানো যায়।
