উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: বিরিয়ানি বা আলুরদম— নাম শুনলেই জিভে জল আসে। এই দুই পদের বিশেষত্ব হলো তাদের রান্নার ধরন, যাকে আমরা ‘দম’ বলি। রান্নার এই বিশেষ পদ্ধতিতে খাবার অল্প আঁচে, ঢাকনা দিয়ে শক্ত করে আটকে ভাপে রান্না করা হয়। এর ফলে মশলার স্বাদ প্রতিটি উপাদানের ভেতরে সমানভাবে মিশে যায়। শুধু বিরিয়ানি নয়, হাতের কাছে কম সময় থাকলে বা রান্নার ঝক্কি এড়াতে দম পদ্ধতিতে তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু আমিষ ও নিরামিষ নানা পদ।
দম মুর্গ: ব্যস্ততার দিনে এই রান্না অত্যন্ত কার্যকর। দই, আদা-রসুন বাটা, সর্ষের তেল ও অন্যান্য মশলা মাখিয়ে মুরগির মাংস ঘণ্টাখানেক রেখে দিন। এরপর বাদাম ও নারকেল বাটা, ভাজা পেঁয়াজ এবং গরম মশলা মিশিয়ে কড়াইতে বসিয়ে দিন। ঢাকনাটি আটা দিয়ে শক্ত করে আটকে ভাপে ৩০-৪০ মিনিট রান্না করলেই তৈরি হবে জুসি দম মুর্গ।
দম পনির: নিরামিষভোজীদের জন্য এটি দারুণ বিকল্প। পনিরের টুকরোর সঙ্গে আদা-রসুন বাটা, ভাজা পেঁয়াজ এবং প্রচুর গোলমরিচ মিশিয়ে নিন। এরপর অল্প আঁচে ১০-১৫ মিনিট ঢাকনা দিয়ে ভাপে রাখলেই তৈরি হবে গোলমরিচ দেওয়া দম পনির।
দম পোলাও: ডিম বা মাংসের সাথে দম পোলাও এক অনন্য স্বাদ আনে। কড়াইতে মশলা ও ডিম কষিয়ে তাতে ভিজিয়ে রাখা গোবিন্দভোগ চাল ও পরিমাণমতো জল দিয়ে দিন। এরপর ধিমে আঁচে দমে বসিয়ে দিন। জল শুকিয়ে পোলাও ঝরঝরে হয়ে এলে গরম গরম পরিবেশন করুন।
রান্নার এই স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু পদ্ধতিটি অবলম্বন করলে মশলার গুণাগুণ বজায় থাকে এবং খাবারের স্বাদ বহুগুণ বেড়ে যায়। ছুটির দিনে হোক বা কাজের চাপযুক্ত দিনে, ভাপের জাদুতে এই পদগুলো আপনার খাদ্যতালিকাকে করে তুলবে তৃপ্তিদায়ক।

