জয়দীপ রায়, কোচবিহার: উৎসবের ঢাকে কাঠি পড়ার আগেই কেনাকাটার আনন্দে মেতেছে কোচবিহার। তবে শুধু নিজেদের নতুন পোশাকই নয়, এবার সাধের মোবাইল ফোনটিকেও ট্রেন্ডি লুকে সাজাতে উৎসাহের অন্ত নেই তরুণ প্রজন্মের। কোচবিহারের ঐতিহ্যবাহী ভবানীগঞ্জ বাজারে এখন দেদার বিক্রি হচ্ছে নানা নকশার ফ্যান্সি মোবাইল ব্যাক কভার (Fashionable Telephone Covers)। কভারের ছোঁয়ায় যেন পলকে বদলে যাচ্ছে পুেরানো ফোনের রূপ।
বাজারের দোকানে দোকানে এখন ঝুলছে বিড়ালের মুখ, খরগোশের কান, টেডি বিয়ার কিংবা হ্যালো কিটি সহ নানা কার্টুন চরিত্রের আদলে তৈরি কভার। সিলিকন প্লাস, পুতুল ও ঝুমকো লাগানো নরম-ফ্লাফি এই কভারগুলি দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, হাতে ধরতেও তেমনই আরামদায়ক। বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, গত এক মাসে এই ফ্যান্সি কভারের চাহিদা দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে। বিশেষ করে স্কুল ও কলেজপড়ুয়া মেয়েদের মধ্যে এগুলির জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। গুণমান ও নকশা ভেদে কভারগুলির দাম ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে।
ভবানীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী তরুণ রায় বলেন, ‘ফোন একই থাকছে, কিন্তু কভার বদলালেই ফোনটি একবারে নতুন রূপ পাচ্ছে। আর বিড়াল কিংবা খরগোশের এসব ডিজাইন এখন ইনস্টাগ্রামে দারুণ ট্রেন্ডিং। তাই দেদার বিক্রি হচ্ছে। গত এক সপ্তাহেই ১০০টির মতো কভার বিক্রি করেছি।’
নতুন এই ট্রেন্ডে উচ্ছ্বসিত কোচবিহার কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী তৃষিতা। তিনি কিনেছেন কালো রঙের ওপর বিড়ালের চোখ আঁকা কভার। তৃষিতা বলেন, ‘বিড়াল আমার খুব পছন্দের। বাড়িতেও দুই-তিনটি বিড়াল রয়েছে। তাই ওদের মুখাবয়বের মতো দেখতে কভারটি কিনেছি। কালোর ওপর হলদে রঙের চোখ দুটি জ্যান্ত মনে হলেও দেখতে বেশ মিষ্টি।’ অন্যদিকে, খরগোশের কানের মতো ব্যাক কভার কেনা কলেজপড়ুয়া দিয়া দেবনাথ জানান, বন্ধুদের মধ্যেও এখন এই ফ্যান্সি কভার কেনার আগ্রহ সবচেয়ে বেশি।

