Falakata | ফালাকাটায় সিপিএমের কর্মসূচিতে পুলিশকে ৭২ ঘণ্টার ডেডলাইন মীনাক্ষীর! তোপ শতরূপের

শিক্ষা
Spread the love


ফালাকাটা: আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) জেলার ফালাকাটায় (Falakata) সিপিএমের (CPM) কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে উঠল। গত ২৩ অগাস্ট ফালাকাটার বড়ডোবার জামতলায় সিপিএমের পথসভায় বিজেপির বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার এক প্রতিবাদী মিছিল ও পথসভার আয়োজন করে সিপিএম। ওই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য শতরূপ ঘোষ (Shatarup Ghosh) এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় (Minakshi Mukherjee)। হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে ফালাকাটায় পুলিশকে বেনজির আক্রমণ করেন বাম নেতৃত্ব।

সিপিএমের অভিযোগ, ঘটনার দিন পুলিশের অনুমতি নিয়েই সভা করা হলেও বিজেপির অতর্কিত হামলায় দলের চারজন কর্মী আহত হন। থানায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও ভিডিও ফুটেজ জমা দেওয়া সত্ত্বেও পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করেনি। এই প্রসঙ্গ  টেনেই শতরূপ ঘোষ বিজেপি ও পুলিশ প্রশাসনকে তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, তৃণমূলের কথায় চলা পুলিশ এখন বিজেপির নির্দেশেই চলছে। পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “পুলিশের ভরসায় বেশি উড়লে কী পরিণতি হয়, পিসি-ভাইপোকে দেখে তা শিক্ষা নিন।” পাশাপাশি, প্রকাশ চিকবড়াইকের দলবদল নিয়েও কটাক্ষ করা হয়।

অন্যদিকে, পুলিশকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দেন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানান, ‘থানায় এফআইআর হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ দেওয়া হয়েছে। সিপিএমের নেতাদের সবাই চেনেন। ৭২ ঘন্টার মধ্যে পুলিশকে জবাব দিতে হবে যে কারা সেদিন মেরেছে, কাদেরকে ডেকে জিঞ্জাসাদ করা হয়েছে।’ একই সঙ্গে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর এসআইআর-এ নাম বাদ যাওয়ার প্রতিবাদে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও আন্দোলনের ডাক দিয়ে দলীয় কর্মীদের মাঠে নেমে লড়াই করার বার্তা দেন তিনি। মীনাক্ষী কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “ঝান্ডার নীচে ডান্ডা রাখবেন, ভয়ে ঘরে ঢুকে বসে থাকবেন না। পাড়ায় পাড়ায় প্রস্তুতি নিন।”

এদিকে, সিপিএমের এই অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি মিঠু দাস দাবি করেন, সিপিএমের কোনো অস্তিত্ব নেই এবং তারা ঘোলা জলে মাছ ধরার চেষ্টা করছে। এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কেউ যুক্ত নয় বলে তিনি স্পষ্ট জানান। বিজেপির ফালাকাটা বিধানসভার সংযোজক জয় সূত্রধর জানান, সেদিন সিপিএমের উত্তেজনামূলক ভাষণের ফলেই সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল, যাকে কেন্দ্র করে অযথা রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে বামেরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *