ক্ষত না শুকনো পর্যন্ত নেপালে ত্রাণ বিলোবেন সোনু সুদ, কাঠমাণ্ডু পৌঁছে কী বার্তা ‘মসিহা’র?

রাজ্য/STATE
Spread the love


দুর্যোগের দিনে সোনু সুদ বরাবরই ত্রাতা। কোভিড কাল থেকেই ঈশ্বরের দূতের মতো দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এবার হড়পা বানে বিধ্বস্ত নেপালের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। সোশাল মিডিয়া পোস্টে সোনু জানিয়েছিলেন, ‘নেপাল, তুমি একা নও। আমরা খাবার, যাবতীয় ত্রাণসামগ্রী নিয়ে আসছি। তোমরা যাতে ফের উঠে দাঁড়াতে পারো সেই কামনা করে পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করব।’ সে প্রতিশ্রুতি রাখলেন বলিউড অভিনেতা। সোনুর এহেন মানবিক উদ্যোগে কুর্নিশ অনুরাগীদের।

বিধ্বস্ত নেপালে সোনু সুদ।

আরও পড়ুন:

নেপালের ভয়ংকর হড়পা বানে মৃতের সংখ্যা হাজার ছুঁইছুঁই। এখনও নিখোঁজ সাড়ে চার হাজারের বেশি মানুষ। নদী দিয়ে বয়ে চলেছে সারি সারি মৃতদেহ। ভয়ংকর সেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের নাগাল কোনওমতে যারা এড়াতে পেরেছেন তাঁদেরও স্বস্তি নেই। প্রিয়জন হারানোর শোক, চরম দুর্ভোগের পাশাপাশি তাঁদের মাথার উপর ঘনাচ্ছে মহামারীর কালো ছায়া। নেপাল প্রশাসনের তরফে সতর্কবার্তা দিয়ে জানানো হয়েছে, নদীর জল পান না করার জন্য। নদী তীরবর্তী অঞ্চলের কোনও খাদ্য সামগ্রী না খাওয়ার জন্য। এমন হাহাকার পরিস্থিতিতে কাঠমাণ্ডুতে ঈশ্বরের দূতের মতো অবতরণ সোনু সুদের।

“ভারত থেকে নেপালে ত্রাণ পাঠানো বেশ চ্যালেঞ্জিং, কারণ এর জন্য প্রচুর লোকবলের প্রয়োজন হয়।…”

নেপালের ভয়ংকর হড়পা বান।

মঙ্গলবার দুপুরে ‘সুদ চ্যারিটি ফাউন্ডেশন’-এর সদস্যদজের নিয়ে নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডুতে পা রাখেন অভিনেতা। সেখানে বিমানবন্দরে সংবাদসংস্থা এএনআই-এর মুখোমুখি হয়ে সোনু জানান, “আমরা এখানে বন্যাদুর্গতদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি। ভারত থেকে প্রচুর ত্রাণসামগ্রী নিয়ে এসেছি। তবে আমরা শুধু সেসব মানুষের পাশেই দাঁড়াতে চাই যাঁদের প্রকৃত অর্থে সাহায্যের প্রয়োজন। চেষ্টা করব খুব শিগগিরি তাদের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার।” অভিনেতার নিয়ে যাওয়া ত্রাণসামগ্রীর তালিকায় রয়েছে কম্বল, খাদ্যদ্রব্য, প্রয়োজনীয় ওষুধপাতি, খাবার। পাশাপাশি অভিনেতার টিমের তরফে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে আর কী কী প্রয়োজন, সেসবও খতিয়ে দেখছে। কাঠমান্ডুতে দাঁড়িয়ে সোনু সুদের বার্তা, “আমার মনে হয়, সকলেরই নিজস্ব সামর্থ অনুযায়ী এগিয়ে আসা উচিত। আমরা প্রচুর কম্বল, খাদ্য-সহ নানা ত্রাণসামগ্রী এনেছি। তাদের কী প্রয়োজন সেটাও নিয়মিত খোঁজ নিচ্ছি এবং ভারত থেকে সেসব পাঠানোর চেষ্টা করছি। তবে ভারত থেকে নেপালে ত্রাণ পাঠানো বেশ চ্যালেঞ্জিং, কারণ এর জন্য প্রচুর লোকবলের প্রয়োজন হয়।” বিধ্বস্ত নেপালের উদ্দেশে ‘মসিহা’র আশ্বাস, “শুধু এমাসেই নয়, বরং ক্ষত না সেরে ওঠা পর্যন্ত আগামী মাসগুলিতেও ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত থাকবে।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *