উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটার তালিকা সংশোধন বা নাম তোলার শুনানি (হিয়ারিং) প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে বড় পদক্ষেপ নিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Fee)। বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের আর নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে বা বুথে ছুটতে হবে না, বরং আধিকারিকরাই পৌঁছে যাবেন তাঁদের বাড়িতে (Residence Listening to Service)। তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) তরফে প্রবীণদের হয়রানি কমানোর যে দাবি তোলা হয়েছিল, তার প্রেক্ষিতেই এই নয়া গাইডলাইন প্রকাশ করল কমিশন।
কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, চারটি নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির মানুষকে সশরীরে শুনানিতে উপস্থিত থাকার আবশ্যিকতা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছেন:
১) ৮৫ বছর বা তার বেশি বয়সি প্রবীণ নাগরিক।
২) সন্তানসম্ভবা মহিলা
৩) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী
৪) বিশেষভাবে সক্ষম বা দিব্যাঙ্গ ব্যক্তিরা
কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, উপরিউক্ত কারণগুলি ছাড়া শুধুমাত্র ‘বার্ধক্য’-এর দোহাই দিয়ে বাড়িতে শুনানির সুবিধা মিলবে না। অর্থাৎ, বয়স যদি ৮৫ বছরের নিচে হয় এবং ওই ব্যক্তি যদি হাসপাতালে ভর্তি বা বিশেষভাবে সক্ষম না হন, তবে তাঁকে নিয়ম মেনে শুনানির জন্য নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত হতেই হবে। কমিশনের এই সিদ্ধান্তে একদিকে যেমন স্বচ্ছতা বজায় থাকবে, তেমনই অতি-প্রবীণ ও অসুস্থরা বড় স্বস্তি পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
