Durga Puja 2026 | কমছে বাজেট, ফিরছে সাবেকিয়ানা

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন
শারদোৎসব ২০২৬

১৯৭১ সালে রূপাহার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এই পুজোর সূচনা। শুরুর দিনগুলিতে বাসিন্দারাই বাড়ির কাপড় এনে প্যান্ডেল তৈরি করতেন। ২০১৩ সাল থেকে থিমের পুজো করে আসছিল এই পুজো কমিটি। ২০১৭ সালে ৫০ বছর পূর্তির পর পুজোর বাজেটও পৌঁছেছিল প্রায় ৩০ লক্ষ টাকায়। তবে এবার আর্থিক অনিশ্চয়তার কারণে বাজেট কমানো হয়েছে, জোর দেওয়া হয়েছে সাবেকিয়ানায়। লিখলেন দীপঙ্কর মিত্র।

রায়গঞ্জ, ১১ অক্টোবর : রায়গঞ্জ(Raiganj) গ্রামীণ এলাকায় প্রায় দেড় দশক পর ফের সাবেকিয়ানার পথে ফিরতে চলেছে রূপাহার যুব সংঘের(Rupanhar Yuva Sangha) দুর্গাপুজো। প্যান্ডেল থেকে প্রতিমা- সেখানে এবার সবেতেই থাকছে পুরোনো দিনের আবহ। ২০১৩ সাল থেকে থিমের পুজো করে আসছিল এই পুজো কমিটি। ২০১৭ সালে ৫০ বছর পূর্তির পর পুজোর বাজেটও পৌঁছেছিল প্রায় ৩০ লক্ষ টাকায়। তবে এবার আর্থিক অনিশ্চয়তার কারণে বাজেট কমে হয়েছে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা। কাটছাঁট করা হয়েছে মণ্ডপেও।
১৯৭১ সালে রূপাহার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এই পুজোর সূচনা। তার আগে পাশেই হাটের ভেতরে একটি পুজো হলেও সেখানে সকলের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকত না। তাই এলাকার মানুষের উদ্যোগে স্কুলের মাঠে শুরু হয় এই সর্বজনীন পুজো। শুরুর দিনগুলিতে বাসিন্দারাই বাড়ির কাপড় এনে প্যান্ডেল তৈরি করতেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন প্রয়াত মিহিরকান্তি চন্দ। এবার কাল্পনিক মন্দিরের আদলে মণ্ডপ তৈরি করা হচ্ছে। মণ্ডপসজ্জার কাজ করছেন কাঁথি এলাকার শিল্পীরা। শিল্পী ভানু পালের হাতে ডাকের সাজে তৈরি হচ্ছে প্রতিমা। আলোকসজ্জায় থাকছে চন্দননগরের শিল্পীদের কাজ।

রূপাহার যুব সংঘের সম্পাদক সুব্রত চন্দ জানান, এবার পুজোয় বাজেট কমলেও আয়োজনের জৌলুসে কোনও ঘাটতি রাখা হচ্ছে না। বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে আর্থিক সাহায্য পাওয়ার ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়াতেই বাজেট কমাতে হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামত মেনেই এবার সাবেকিয়ানায় ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ক্লাবের সভাপতি পলাশ বিশ্বাস বলেন, ‘এলাকার মানুষের দাবি মেনেই এতদিন বিগ বাজেটের পুজো হয়েছে।’
পঞ্চমীর দিন এলাকার বিশিষ্টজন ও কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নয়, সমাজের বিশিষ্টজনদের হাতেই হবে পুজোর উদ্বোধন। অন্যদিকে, পুজো কমিটির সম্পাদক সঞ্জীব সেনগুপ্ত বলেন, ‘পঞ্চমীর দিন কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব পুজোর উদ্বোধন করবেন না। শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মীরা পুজো উদ্বোধন করবেন। আশা করি এ বারও পুজোমণ্ডপে জনস্রোত হবে।’ রূপাহার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মানিক নস্কর জানান, বিগ বাজেটের পুজো হলেও চাঁদার কোনও জুলুম নেই, বাসিন্দারা নিজেদের সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করেন। তাঁরাও সাধ্যমতো চাঁদা দেন। গ্রামীণ এলাকায় এমন বিগ বাজেটের পুজো আর কোথাও হয় না।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *