Dhupguri | ক্ষতিপূরণের টাকা না মেলায় সরব বাসিন্দারা, প্রধানকে আটকে বিক্ষোভ দুর্গতদের  

Dhupguri | ক্ষতিপূরণের টাকা না মেলায় সরব বাসিন্দারা, প্রধানকে আটকে বিক্ষোভ দুর্গতদের  

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


শুভাশিস বসাক, ধূপগুড়ি: ক্ষতিপূরণের টাকা তো মেলেইনি, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকায় প্রকৃত দুর্গতদের নাম নেই বলে অভিযোগ।

প্রতিবাদে দুর্গতরা সোমবার গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন। প্রধান সহ কর্মীরা সেই সময় অফিসেই আটকে ছিলেন। সমস্যা মেটার আশ্বাস না মেলায় পরে হোগলাপাতা, কুল্লাপাড়ার ক্ষতিগ্রস্ত পুরুষ ও মহিলারা ডাউকিমারি থেকে জলঢাকাগামী জেলা পরিষদের সড়ক করেন। এই বাসিন্দারা সম্প্রতি বানভাসি হয়েছিলেন। তাঁদের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির নেতারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গিয়ে আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড নেওয়ার পাশাপাশি বাড়িঘরের ক্ষতির জন্য টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর দু’মাস কেটে গেলেও ক্ষতিপূরণের টাকা মেলেনি। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকায় প্রকৃত দুর্গতদের নাম নেই বলেও অভিযোগ। অন্যদিকে, প্রকৃতপক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত না হলেও তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির ঘনিষ্ঠ অনেকে ক্ষতিপূরণের টাকা পেয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিক্ষোভকারী অনিতা রায়ের কথায়, ‘ক্ষতিপূরণের টাকা না মেলাতেই গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে তালা ঝোলানো হয়েছে। তালিকায় প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের নাম নেই। অথচ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়েও কিছু মানুষ ক্ষতিপূরণের টাকা পেয়েছে।’ গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বিজেপির বিজয় রায় বলেন, ‘তৃণমূলের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এনিয়েই বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। গোটা বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে সবকিছু খতিয়ে দেখা হবে।’ তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা ধর্মনারায়ণ রায় অভিযোগ মানতে চাননি। তাঁর কথায়, ‘এখানে তৃণমূল নেতাদের নাম আসার কথাই নয়। বিজেপি পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত এবং প্রশাসনের তরফে ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। বাসিন্দারা অরাজনৈতিকভাবে আন্দোলন করলেও গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ রাজ্যের শাসকদলের নেতাদের বিরুদ্ধে দায় চাপাতে চাইছে।’

বিক্ষোভে শামিল মহেশচন্দ্র রায়, শ্যামলী রায়ের মতো ক্ষতিগ্রস্তরা এদিন ক্ষোভ উগরে দেন। বন্যায় তাঁদের বাড়িঘর, রান্নার সামাগ্রী ভেসে গিয়েছে বলে তাঁরা জানান। ক্ষতিপূরণ মিলবে বলে প্রশাসন আশ্বাস দিলেও তা মেলেনি বলে সবারই অভিযোগ। বেলা সাড়ে ১০টা নাগাদ ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে প্রধান ও কর্মীদের বাইরে থেকে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ডাউকিমারি ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা পুলিশের কোনও কথাই শুনতে চাননি। পরে ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে যান। কিছু পরে বাসিন্দারা তালা খুলে প্রধানের ঘরে ঢোকে লিখিত অভিযোগ জমা করেন। প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভ দেখানোর পর বেলা ৪টা নাগাদ ওই কর্মসূচি তুলে নেওয়া হয়। প্রধান গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *