Delhi Police ACP Vivek Bhagat | এফআইআর দূরে থাক, উল্টে মহিলা সাংবাদিককে যৌন হেনস্তায় অভিযুক্ত এসিপি-র পদোন্নতি, বিতর্কে দিল্লি পুলিশ

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ যৌন হেনস্তার মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠার পরেও অভিযুক্ত দিল্লি পুলিশের এক সহকারী কমিশনারকে (Delhi Police ACP Vivek Bhagat) পদোন্নতি দেওয়ার ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিক্ষোভের খবর সংগ্রহ করতে যাওয়া মহিলা সাংবাদিকদের হেনস্তা করার অভিযোগ রয়েছে ওই আধিকারিকের বিরুদ্ধে। সমস্ত বিতর্ক ও রাজনৈতিক চাপকে উপেক্ষা করে সোমবার ওই পুলিশ আধিকারিকের অতিরিক্ত ডিসিপি হিসেবে পদোন্নতির কথা ঘোষণা করেছে দিল্লি পুলিশ। আর এই পদোন্নতিকে কেন্দ্র করেই নতুন করে ফুঁসে উঠেছে বিরোধী শিবির ও বিভিন্ন গণমাধ্যম সংগঠন।

জানা গিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে গত শুক্রবার থেকে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ শুরু হয়। পুলিশি বাধা ও ধরপাকড় সত্ত্বেও শনি, রবি ও সোমবারও সেই আন্দোলন জারি থাকে। অভিযোগ, গত শনিবার সেই বিক্ষোভের খবর সংগ্রহ করতে যাওয়া তিন জন মহিলা সাংবাদিক দিল্লি পুলিশের কয়েকজন আধিকারিকের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে যৌন হেনস্থার গুরুতর অভিযোগ তোলেন। অভিযুক্তদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন দিল্লি পুলিশের সহকারী কমিশনার (ACP) বিবেক ভগৎ।

অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে অবিলম্বে এফআইআর (FIR) দায়ের করার দাবিতে শনি ও রবিবার সংসদ স্ট্রিট থানার বাইরে বিক্ষোভ দেখায় ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন। সিজেপি নেতা সৌরভ দাস এবং সিপিএম নেত্রী বৃন্দা কারাত থানায় গিয়ে পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বললেও এফআইআর দায়ের করা হয়নি বলে অভিযোগ। উল্টে সোমবার সকালে পুলিশ জোর করে আন্দোলনকারী ও সাংবাদিকদের আটক করে। পুলিশের একাংশ অভিযুক্ত এসিপি-কে আড়াল করার চেষ্টা করছে বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রতিবাদীরা। নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে অভিযোগটি ক্রাইম ব্রাঞ্চের কাছে পাঠানো হলেও এফআইআর না হওয়ায় অসন্তোষ বেড়েই চলেছে।

এই সমস্ত বিতর্কের মধ্যেই সোমবার দিল্লি পুলিশের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করছেন অভিযুক্ত বিবেক ভগৎ। বিবেকের সঙ্গেই আরও ১১ জন আধিকারিক পদোন্নতি পেয়েছেন। যদিও দিল্লি পুলিশের সাফাই, এটি সম্পূর্ণ রুটিন পদোন্নতি এবং অভিযোগ ওঠার আগেই এই বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল।

তবে পুলিশের এই পদক্ষেপে ক্ষোভের আগুন আরও তীব্র হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে থাকা দিল্লি পুলিশের এই আচরণ নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। অবিলম্বে অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার দাবি জানিয়ে রাহুল গান্ধী মন্তব্য করেছেন যে, এটি পুলিশের ন্যূনতম দায়িত্ব। সবমিলিয়ে, মহিলা সাংবাদিকদের হেনস্থা এবং অভিযুক্তকে প্রোমোশন দেওয়ার ঘটনায় জাতীয় রাজধানী জুড়ে চরম রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *