Congress | বয়োজ্যেষ্ঠ মোহিতই ভরসা কংগ্রেসের

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


রাহুল দেব, রায়গঞ্জ: শহর পুনরুদ্ধারে কংগ্রেসের ভরসা তরুণসমাজ। তরুণদের ‘মন জয়’-কে ভোটের বাক্সে প্রতিফলিত করতে ইতিমধ্যে মাঠ পরিচর্চায় নেমে পড়েছে কংগ্রেস (Congress) নেতৃত্ব। প্রাথমিকভাবে ২৭টি ওয়ার্ডে প্রার্থী নির্বাচনও হয়ে গিয়েছে। অধিকাংশ প্রার্থীই নতুন মুখ বা তরুণ। কিন্তু চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেই বয়োজ্যেষ্ঠ মোহিত সেনগুপ্ত। ৭৫ বছরের ‘তরুণ’-এর ওপরই কেন আস্থা রাখছে জেলা কংগ্রেস নেতৃত্ব? জেলা নেতারা বলছেন, রায়গঞ্জ পুরসভার (Raiganj Municipality) চেয়ারম্যান হিসেবে মোহিত সেনগুপ্তের বিকল্প কেউ কোনওদিনই হতে পারেননি এবং ভবিষ্যতেও পারবেন না।

এ কি ‘পুনর্বাসন’ দেওয়ার চেষ্টা? পুর নির্বাচনের ঢের বাকি থাকলেও, এখনই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মোহিতের নাম হাওয়ায় ভেসে ওঠায়, এমন প্রশ্ন এখন রায়গঞ্জ সহ উত্তর দিনাজপুর জেলা কংগ্রেসের অভ্যন্তরে। এক্ষেত্রে সামনে চলে আসছে নবনির্বাচিত জেলা কংগ্রেস সভাপতি তুষারকান্তি গুহর বক্তব্য। মোহিতকে বাইরে রেখে কিছু হবে না, সভাপতি হয়েই তিনি বার্তা দিয়েছিলেন। কংগ্রেসের নতুন নীতিতে এবার জেলা সভাপতি হতে পারেননি মোহিত। ২৬ বছর পর তাঁকে জেলা সভাপতির পদ থেকে সরে যেতে হয়েছে। তাঁর ডানহাত হিসেবে পরিচিত তুষারকান্তির হাতেই এখন উত্তর দিনাজপুর কংগ্রেসের ব্যাটন। তবে দলের অনেকেই মনে করেন, মোহিত না থেকেও রয়ে গিয়েছেন, যে কারণেই তাঁকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে তুলে ধরা।

ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে যেখানে ‘ইয়াং জেনারেশন’-এর ওপর ভরসা রাখা হচ্ছে, সেখানে কেন বয়োজ্যেষ্ঠ মোহিত? ভোট ময়দানে এর কি বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়বে না? রাজনৈতিক মহল তো বটেই, এমন প্রশ্ন জন্ম নিয়েছে কংগ্রেসের অন্দরেও। যদিও জেলা কংগ্রেস সভাপতি তুষারকান্তি বলছেন, ‘রায়গঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে মোহিত সেনগুপ্তের বিকল্প কেউ হতে পারবেন না। তাই মোহিতবাবুকেই চেয়ারম্যানের মুখ করে আমরা নির্বাচনে লড়তে চলেছি। যদি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়, সেক্ষেত্রে রায়গঞ্জ পুরসভা কংগ্রেসের হাতেই আসবে।’ তৃণমূলের ক্ষমতাচ্যুত হওয়া এবং ভাঙনের জেরে এখন অনেকেই ফের তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে ফিরতে চাইছেন। এক্ষেত্রে জেলায় দলের নীতি কী হবে—এই প্রশ্নের জবাবে কৌশলী তুষারকান্তি বলছেন, ‘এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। আগামীদিনে দলে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

রাজ্যের ক্ষমতাসীন বিজেপির যা পরিকল্পনা, তাতে পুজো বা উৎসব শেষেই রাজ্যের পুরসভাগুলিতে হবে নির্বাচন। ওই তালিকায় থাকার সম্ভাবনা রায়গঞ্জ পুরসভার। যে কারণে নির্বাচনি মাঠ পরিচর্যা বা ভোট প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতৃত্বের আশা, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ভালো ফল হবে। ২০১৭-র পুর নির্বাচনের দিন তৎকালীন রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল কংগ্রেস। এর পরেও কংগ্রেস পেয়েছিল দুটি আসন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *