CJP-Rakesh Tikait Assembly | মোদি সরকারকে চাপে ফেলতে কৃষক ও ছাত্রদের বৃহত্তর জোট গড়ার উদ্যোগ! রাকেশ টিকায়েতের সঙ্গে বৈঠক ককরোচ পার্টির  

CJP-Rakesh Tikait Assembly | মোদি সরকারকে চাপে ফেলতে কৃষক ও ছাত্রদের বৃহত্তর জোট গড়ার উদ্যোগ! রাকেশ টিকায়েতের সঙ্গে বৈঠক ককরোচ পার্টির  

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারকে সর্বাত্মকভাবে চাপে ফেলতে এবার কৃষক, ছাত্রছাত্রী ও তরুণ প্রজন্মকে একসঙ্গে নিয়ে একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক ও সামাজিক মঞ্চ গড়ে তোলার উদ্যোগ নিল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP-Rakesh Tikait Assembly)। নিট (NEET) আন্দোলনের জেরে বিভিন্ন রাজ্যে আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে পুলিশি এফআইআর ও লাগাতার ধরপাকড়ের প্রতিবাদে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে লড়াই আরও জোরদার করতে মঙ্গলবার বিশিষ্ট কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েতের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সিজেপি নেতৃত্ব। দিল্লির যন্তর মন্তরে এর আগে সিজেপির আন্দোলন চলাকালীনও একাধিকবার সংহতি জানাতে হাজির হয়েছিলেন এই কৃষক নেতা।

ভারতীয় কিসান ইউনিয়নের (BKU) শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর সিজেপির অন্যতম মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা আত্মবিশ্বাসের সুরে জানান, “আমরা আশা করছি, আমাদের দেশের কৃষক ভাইরা, ছাত্রছাত্রীরা এবং তরুণ প্রজন্ম একসঙ্গে হাত মিলিয়ে মোদি সরকারকে সব দিক থেকে ঘিরে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”

সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে মূলত ভবিষ্যতের দীর্ঘমেয়াদী আন্দোলন এবং রণকৌশল নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। কীভাবে দেশের ছাত্রসমাজ এবং অন্নদাতা কৃষকদের একই মঞ্চের তলায় এনে কেন্দ্রের জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে বড়োসড় গণআন্দোলন গড়ে তোলা যায় এবং জোরালো দাবিদাওয়াগুলো আদায় করা সম্ভব হয়, সেই বিষয়েই ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করেছে সিজেপি ও বিকেইউ নেতৃত্ব।

উল্লেখ্য, দেশজুড়ে শিক্ষায় দুর্নীতি এবং নিটের প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে দিল্লির রাজপথে তীব্র আন্দোলন চালিয়েছিল সিজেপি। সেই আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য হন ধর্মেন্দ্র প্রধান। সিজেপির মূল দাবিগুলির মধ্যে এটি ছিল অন্যতম। এছাড়া তাদের অন্য দুটি প্রধান দাবি ছিল— নিট বাতিলের জেরে যে সমস্ত পড়ুয়ারা আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন, তাঁদের পরিবারকে পর্যাপ্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং দেশজুড়ে আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আইনি পদক্ষেপ বা পুলিশি হয়রানি করা হবে না।

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর এবং সরকারের তরফে বাকি দাবিগুলির বিষয়ে ইতিবাচক আশ্বাসের ভিত্তিতেই সিজেপি তাদের আন্দোলন প্রত্যাহার করেছিল। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে যে, কেন্দ্র কথা রাখলেও বাস্তবে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, অসম-সহ বিভিন্ন রাজ্যে এখনও আন্দোলনকারীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। এমনকি রাজস্থানেও পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে নতুন করে এফআইআর দায়ের করা হচ্ছে। সরকারের এই দ্বিমুখী নীতির বিরুদ্ধেই এবার ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের দ্বারস্থ হয়েছে সিজেপি। কৃষক সংগঠনের সমর্থন ও সক্রিয় সহায়তা পেলে আন্দোলনকে আরও অনেক বেশি বৃহত্তর ও সর্বাত্মক রূপ দেওয়া যাবে বলেই মনে করছে ‘ককরোচ’ শিবির।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *