শিলিগুড়ি ও কোচবিহার: শিলিগুড়ি (Siliguri) শহরের একাধিক নার্সিংহোমে আয়কর দপ্তরের হানা (Revenue Tax raid)। মঙ্গলবার দুপুরে শহরের তিনটি জায়গায় আয়কর দপ্তরের আধিকারিকরা পৌঁছে নার্সিংহোমগুলিতে নথি যাচাই করেন। পাশাপাশি চলে জিজ্ঞাসাবাদ। নিরাপত্তায় মোতায়েন ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। তবে সঠিক কী কারণে এদিন নার্সিংহোমগুলিতে আয়কর দপ্তর হানা দিয়েছে, তা স্পষ্ট হয়নি কোনও আধিকারিক মুখ না খোলায়। নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের তরফেও কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এমনকি এ নিয়ে দার্জিলিং জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। তবে শহরের একাধিক নার্সিংহোমে আয়কর দপ্তরের হানার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
শিলিগুড়ি শহরের পাশাপাশি কোচবিহারেও আচমকা হানা দিলেন আয়কর দপ্তরের আধিকারিকরা। প্রথমে দুপুর নাগাদ কোচবিহার (Cooch Behar) শহরের একটি নার্সিংহোমে এবং বিকেলে একটি বেসরকারি ল্যাবরেটরিতে আয়কর দপ্তরের আধিকারিকরা হানা দেন। তাঁদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও উপস্থিত ছিলেন। খবর লেখা পর্যন্ত অভিযান চলছে। তবে আয়কর দপ্তর, নার্সিংহোম এবং ল্যাবরেটরি কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও বক্তব্য মেলেনি। আধিকারিকরা নার্সিংহোম ও ল্যাবরেটরিতে ঢোকার পরই সেখানকার নথিপত্র খতিয়ে দেখতে শুরু করেন। সূত্রের খবর, নথি যাচাইয়ের সময় সেখানকার কর্মীদের মোবাইল ফোন নিজেদের হেপাজতে রেখেছিলেন আয়কর আধিকারিকরা। যদিও কোচবিহার জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিক বলেছেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের কাছে কোনও খবর নেই।’
