CJP celebration controversy | জয়ের উল্লাসে ‘আরশোলা’রা, বিলাসবহুল হোটেলে উদ্দাম নাচ! সংযমের বার্তা সোনমের

CJP celebration controversy | জয়ের উল্লাসে ‘আরশোলা’রা, বিলাসবহুল হোটেলে উদ্দাম নাচ! সংযমের বার্তা সোনমের

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: নিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস এবং ছাত্র মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই চরম বিতর্কে জড়িয়ে পড়ল ‘ককরেচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর বিলাসবহুল হোটেলে সিজেপি-র (CJP celebration controversy) সদস্যদের বলিউডি গানের তালে উদ্দাম নাচের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হতেই চারদিকে শুরু হয়েছে সমালোচনার ঝড়। একদিকে যখন মৃত পরীক্ষার্থীদের পরিবার এবং ছাত্রসমাজ শোকাচ্ছন্ন, ঠিক তখনই সিজেপি নেতাদের এই উল্লাস মেনে নিতে পারেননি বিশিষ্ট পরিবেশবিদ সোনম ওয়াংচুকও (Sonam Wangchuk)। জয়ের উল্লাসে সংযম ও বিনয় বজায় রাখার বার্তা দিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটানা ৩৬ দিন ধরে চলা তুমুল আন্দোলনের মুখে গত শনিবার সমস্ত দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয় সরকার এবং পদত্যাগ করেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এরপরই সিজেপির এক্স হ্যান্ডেলে ‘ইস্তফার খুশিতে’ ক্যাপশন দিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। সেই ভিডিওতে দলের মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা সহ বেশ কয়েকজনকে বিলাসবহুল কোনো হোটেলে পার্টিতে মত্ত হয়ে নাচতে দেখা যায়।

এই দৃশ্য সামনে আসতেই নেটপাড়ায় প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, দেশের বহু শিক্ষার্থী যখন আন্দোলনের আঁচে দগ্ধ এবং নিট সংক্রান্ত আত্মঘাতী পড়ুয়াদের পরিবারগুলো যখন চোখের জলে ভাসছে, সেই মুহূর্তে এমন বিলাসবহুল নাচগান কতটা দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেয়!

এদিকে, এই গোটা ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে সোনম ওয়াংচুক সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “উদযাপনের অবশ্যই বিনয় থাকতে হবে। সাফল্য অর্জনের মতোই সম্মান ও বিনয় বজায় রাখাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। মর্যাদা, সংযম ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে উদযাপন করুন।”

বিতর্কের মুখে পড়ে অবশ্য সাফাই দিয়েছেন সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস। তাঁর দাবি, ঘটনাটিকে অযথা বড় করে দেখানো হচ্ছে। সেটি কোনো ফাইভ স্টার হোটেল ছিল না, বরং টানা রাস্তায় লড়াই করা ১৫০-২০০ জন ভলান্টিয়ার ও ছাত্রছাত্রীদের ধন্যবাদ জানাতে একটি ছোট পরিসরের বিদায় সংবর্ধনা সভা ছিল। তবে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলি এখনও প্রত্যাহার না হওয়া সত্ত্বেও এই ধরনের উল্লাস কতটা যুক্তিযুক্ত, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্নচিহ্ন থেকেই গিয়েছে।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *