BJP group reshuffle | রাজ্য বিজেপিতে রদবদল, সরলেন শর্বরী-ইন্দ্রনীল খাঁ-জগন্নাথ, এলেন অঞ্জনা

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন:  বঙ্গ বিজেপির (BJP) সাংগঠনিক কাঠামোয় বড়সড় পরিবর্তন (organizational reshuffle)। ‘এক ব্যক্তি, এক পদ’ এই নিয়মের ওপর ভিত্তি করে রাজ্য স্তরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আনা হয়েছে বদল। মন্ত্রিত্ব পাওয়ার পর থেকেই দলের অন্দরে সাংগঠনিক পদ ছাড়ার যে জল্পনা চলছিল, তা শুক্রবার স্পষ্ট রূপ নেয়। এর ফলে মহিলা মোর্চা এবং যুব মোর্চার শীর্ষ নেতৃত্ব সহ মোট সাতটি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পদে আনা হয়েছে নতুন মুখ। একই সঙ্গে রাজ্য সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) পদে অমিতাভ চক্রবর্তীর পুনর্নিযুক্তির সিদ্ধান্তও বহাল রাখা হয়েছে।

শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) দলের রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে এগোচ্ছিল। ভোটের ঠিক পরের পর্বে রাজ্য কার্যকারিনী থেকে শুরু করে মিডিয়া সেল, সমাজমাধ্যম এবং আইটি বিভাগের দায়িত্ব বন্টন করা হয়েছিল। সাম্প্রতিক এই রদবদলে মন্ত্রিত্ব সামলানোর কারণে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পাল, দীপক বর্মন এবং শঙ্কর ঘোষের মতো পরিচিত মুখগুলিকে সংগঠনের সহ-সভাপতি বা সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে মন্ত্রী না হওয়া সত্ত্বেও রাজ্য সম্পাদক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে শর্বরী মুখোপাধ্যায়কে।

মহিলা মোর্চার নতুন রাজ্য সভানেত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পরিচিত টেলিভিশন মুখ অঞ্জনা বসুকে। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপিতে যোগ দেওয়া অঞ্জনাকে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের পরামর্শক সদস্য এবং একটি কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি করা হয়েছিল। ফাল্গুনী পাত্রের স্থলাভিষিক্ত হলেন তিনি, আর সদ্য প্রাক্তন এই সভানেত্রীকে রাজ্য দলের সহ-সভানেত্রী করা হয়েছে। অন্যদিকে, যুব মোর্চার নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে হয়েছে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জিতে মন্ত্রী হওয়া ইন্দ্রনীল খাঁ-কে। তাঁর জায়গায় যুব মোর্চার নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আমতা আসনের বিধায়ক অমিত সামন্ত।

মিডিয়া বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন অনুপম ঘোষ। নতুন এই কমিটিতে রামপদ দাসকে সহ-সভাপতি এবং নীলাঞ্জন অধিকারী ও শঙ্কর চক্রবর্তীকে রাজ্য সম্পাদক করা হয়েছে। পাশাপাশি, অনল বিশ্বাস এবং মিঠুন চক্রবর্তীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সঞ্জয় বর্মাকেও রাজ্য সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে জেলা সংগঠনের ক্ষেত্রে বনগাঁ, বারাসত, শ্রীরামপুর, আরামবাগ, মেদিনীপুর, বর্ধমান ও কাটোয়া—এই সাত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পদেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। বনগাঁয় নৃপেন বিশ্বাস, বারাসতে দীপঙ্কর চক্রবর্তী, শ্রীরামপুরে শশী সিংহ, আরামবাগে প্রশান্ত দিগার, মেদিনীপুরে সৌমেন তিওয়ারি, বর্ধমানে আশিস পাল এবং কাটোয়ায় মানিক রায়কে নতুন জেলা সভাপতি হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *