নীহাররঞ্জন ঘোষ, মাদারিহাট: একটি চিতাবাঘের চামড়া সহ দেহাংশ পাচারের অভিযোগে মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ার সিজেএম আদালতের বিচারক তিনজনের সাজা ঘোষণা করেন।
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের বিভাগীয় বনাধিকারিক পারভিন কাশোয়ান জানালেন, তিন আসামির নাম তাপস বর্মন, দীপঙ্কর মণ্ডল এবং ভূপেন বর্মন। তিনজনকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। এদের প্রত্যেকের বাড়ি কোচবিহার জেলায়।
বিভাগীয় বনাধিকারিক জানালেন, গতবছর ২২ মে জলদাপাড়া পশ্চিম রেঞ্জের বনকর্মীরা গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে দক্ষিণ চকোয়াখেতি থেকে তাপস এবং দীপঙ্করকে আটক করেন। তাদের কাছ থেকে একটি চিতাবাঘের চামড়া পাওয়া যায়। সেইসঙ্গে বাজেয়াপ্ত হয় একটি ছোট গাড়িও। দুজনকে হেপাজতে নিয়ে শুরু হয় তদন্ত। ৩১ মে গ্রেপ্তার করা হয় ভূপেনকে। তারপর তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে সেবছরই জুন মাসের চার তারিখে মথুরা চা বাগান থেকে চিতাবাঘের দেহাংশ উদ্ধার করা হয়। মাটির নীচ থেকে উদ্ধার হয় চিতাবাঘের মাথার খুলি, দুটি ক্যানাইন দাঁত এবং ১৭টি হাড়। জলদাপাড়া পশ্চিম রেঞ্জের রেঞ্জ অফিসার অয়ন চক্রবর্তীর নেতৃত্বে ওই অপারেশন হয়েছিল।
আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) সিজেএম আদালতের সরকারি আইনজীবী মদনগোপাল সরকারের প্রশংসা করেছেন বিভাগীয় বনাধিকারিক পারিভন কাশোয়ান। এই সাজা ঘোষণা বন্যপ্রাণীদের রক্ষার জন্য একটি দৃষ্টান্ত, জানালেন তিনি।
