Dinhata | বড়দিনের আগে নতুন সাজে দিনহাটার সেন্ট লুথেরাস চার্চ, খুশির জোয়ার জমাদারবস আদিবাসী গ্রামে

Dinhata | বড়দিনের আগে নতুন সাজে দিনহাটার সেন্ট লুথেরাস চার্চ, খুশির জোয়ার জমাদারবস আদিবাসী গ্রামে

শিক্ষা
Spread the love


অমৃতা দে, দিনহাটা: সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে ভরা ছোট্ট গ্রাম জমাদারবস। দিনহাটা (Dinhata) এক নম্বর ব্লকের পেটলা গ্রাম পঞ্চায়েতের এই গ্রামেই আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজন থাকেন। গ্রামের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে তাঁদের আস্থা, বিশ্বাস ও অনুভূতির প্রতীক সেন্ট লুথেরাস চার্চ (St. Lutheras Church)। প্রতিবছর ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন উপলক্ষ্যে এই চার্চকে ঘিরেই উৎসবের আবহ তৈরি হয় গোটা গ্রামে। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী অধিকাংশ বাসিন্দার কাছে চার্চ শুধু উপাসনালয় নয়, বরং এটি তাঁদের ঐতিহ্য ও পরিচয়ের প্রতীকও।

এতদিন চার্চের সমস্ত অনুষ্ঠান ও প্রার্থনা চলত একটি ছোট্ট ঘরের মধ্যে। স্থান সংকুলান না হওয়ায় সমস্যা তৈরি হলেও গ্রামবাসীরা নিজেদের মতো করে বহু বছর ধরে এখানেই প্রার্থনা করে এসেছেন। তবে এবারে ছবিটা বদলাতে চলেছে। বড়দিনের আগেই চার্চকে নতুন রূপে সাজিয়ে তুলতে উদ্যোগী হয়েছে চার্চ কর্তৃপক্ষ। শুরু হয়েছে সংস্কারকাজ। নতুনভাবে টাইলস বসানো হচ্ছে। সাজানো হচ্ছে আলো দিয়েও।

চার্চে গান পরিবেশন করেন রঞ্জিত সাংমা। তাঁর কথায়, ‘২৫ ডিসেম্বর এলেই আমাদের গ্রাম উৎসবের রংয়ে রঙিন হয়ে ওঠে। কারণ আমরা বেশিরভাগই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। এবছর সিদ্ধান্ত হয়েছে, চার্চটাকে নতুন করে সাজানো হবে। সেই অনুযায়ী কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই ভেতরের টাইলস বসানোর কাজ শেষের পথে।’ তাঁর কথায় স্পষ্ট, উৎসবের আনন্দের সঙ্গে চার্চের প্রতি একটা আবেগও জড়িয়ে রয়েছে গ্রামের প্রত্যেকের।

দীর্ঘদিনের অপেক্ষা শেষ। এবার বড়দিনে চার্চ নতুন রূপে সেজে উঠবে, এ কথা ভেবেই খুশির আবহ গ্রামজুড়ে। গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্য উইলসন বেসরাও বলেন, ‘আমাদের গ্রামের আবেগ আমাদের এই চার্চ। এটা সেজে উঠলে আমরা সবাই খুব খুশি হব। বড়দিনে এবার বাড়তি আনন্দ।’

গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দাদের মতে, ‘চার্চ সংস্কারের ফলে শুধু উপাসনার পরিবেশই উন্নত হবে তা নয়, বরং বড়দিনে আসা অতিথি ও ভক্তদের জন্যও তৈরি হবে আরও সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ। এ বছর তাই বড়দিনের আনন্দ যেন দ্বিগুণ হতে চলেছে জমাদারবসে (Jamadarbas)।’

গ্রামবাসীরা আশাবাদী, নতুন রূপে সেজে ওঠা সেন্ট লুথেরাস চার্চ এবার বড়দিনের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দেবে। উৎসবের শুভক্ষণে চার্চ তাঁদের আবেগ, ঐতিহ্য এবং ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও জোরদার করবে, এমনটাই আশা সবার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *