Air Pressure Staffer Arrested | অর্থের লোভে দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা! পাক চরচক্রে নাম জড়িয়ে শ্রীঘরে বায়ুসেনার কর্মী

Air Pressure Staffer Arrested | অর্থের লোভে দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা! পাক চরচক্রে নাম জড়িয়ে শ্রীঘরে বায়ুসেনার কর্মী

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতীয় বায়ুসেনার অত্যন্ত গোপনীয় এবং স্পর্শকাতর প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত তথ্য প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের হাতে পাচার করার (Spying) অভিযোগে গ্রেপ্তার বায়ুসেনারই এক অসামরিক কর্মী (Air Pressure Staffer Arrested)। রাজস্থান পুলিশের ইন্টেলিজেন্স শাখা এবং বায়ুসেনার গোয়েন্দা বিভাগের একটি যৌথ অভিযানে এই সাফল্য এসেছে। ধৃত ব্যক্তির নাম সুমিত কুমার। ৩৬ বছর বয়সি সুমিত উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের বাসিন্দা হলেও তিনি অসমের ডিব্রুগড় জেলার চাবুয়া বায়ুসেনা ঘাঁটিতে (IAF Station Chabua) ‘মাল্টি টাস্কিং স্টাফ’ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তদন্তকারীদের দাবি, সুমিতের এই গ্রেপ্তারি ভারতে ছড়িয়ে থাকা একটি বিশাল বিদেশি গোয়েন্দা নেটওয়ার্কের মুখোশ খুলে দিয়েছে।

তদন্তের সূত্রপাত হয়েছিল চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে রাজস্থানের জয়সলমের থেকে ঝাবরা রাম নামে এক ব্যক্তিকে আটকের মাধ্যমে। তাকে জেরা করার সময়ই রাজস্থান পুলিশের অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল (ইন্টেলিজেন্স) প্রফুল্ল কুমার জানতে পারেন যে, দেশের এক বায়ুসেনা কর্মীর সঙ্গে পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে (Pakistan)। সেই সূত্র ধরেই তদন্তের জাল বিস্তার করে গোয়েন্দারা চাবুয়া বায়ুসেনা ঘাঁটির কর্মী সুমিত কুমারের হদিশ পান। দীর্ঘ নজরদারির পর দেখা যায়, সুমিত ২০২৩ সাল থেকেই শত্রু দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছিলেন। মূলত অর্থের বিনিময়েই তিনি দেশের সামরিক স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে গোপন নথিপত্র পাচার করছিলেন বলে অভিযোগ।

জেরায় জানা গিয়েছে, সুমিত চাবুয়া এবং বিকানেরের নাল বায়ুসেনা ঘাঁটির অবস্থান, সেখানে মোতায়েন থাকা যুদ্ধবিমান ও মিসাইল সিস্টেমের বিশদ বিবরণ এবং বায়ুসেনার উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের ব্যক্তিগত তথ্য পাচার করেছেন। শুধু তাই নয়, নিজের নামে নথিভুক্ত মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করে দেওয়ার মতো মারাত্মক কাজও তিনি করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

গত ২২ মার্চ সুমিতকে গ্রেপ্তার করে জয়পুরের বিশেষ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, ১৯২৩ এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS), ২০২৩-এর একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। এই ঘটনার নেপথ্যে আরও কতজন যুক্ত এবং দেশজুড়ে এই চরচক্রের বিস্তার ঠিক কতটা, তা জানতে গোয়েন্দারা বর্তমানে ধৃতকে দফায় দফায় জেরা করছেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *