‘পুজো’। এই একটি শব্দেই বাঙালির বুকের মধ্যে ঢাকের বোল বাজে! বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব একেবারে দোরগোড়ায়। সময় যতই পালটে যাক, আধুনিকীকরণের ছোঁয়ায় ঐতিহ্যকেই আঁকড়ে ধরে রাখতে চায় মন। এই ক’টা দিন লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশনের ব্যস্ততার মাঝেও সেলেবরাও পুজোর আমেজে গা ভাসান। উপরন্তু, পুজোর উদ্বোধন থেকে নানা অনুষ্ঠান, থাকলে তো কথাই নেই! ব্যস্ততা দ্বিগুণ হয়। কিন্তু তাই বলে, পুজোর প্ল্যান থাকবে না? আলবাৎ থাকবে! চলতিবারে টেলিপাড়ার তারকারা কীভাবে পুজো কাটানোর পরিকল্পনা করেছেন? সংবাদ প্রতিদিন-এর মুখোমুখি হয়ে জানালেন।
ধারাবাহিকের কাজ থেকে ছুটি মিললেই শহর ছাড়বেন তৃণা। তবে পুজোর সময়ে কলকাতার বাইরে নিখাদ ছুটির মেজাজে থাকলেও অষ্টমীর দিন অঞ্জলি দেওয়া কিন্তু মাস্ট অভিনেত্রীর। অন্যদিকে সুস্মিতা দে শহরেই থাকবেন। এবারের পুজোও তাঁর কাছে স্পেশাল।
আরও পড়ুন:
টেলিভিশনের পর্দায় নিত্যদিনই তাঁদের সঙ্গে দেখা হয় দর্শকমহলের। ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’, ‘শান্তি’, ‘তিলোত্তমা’, ‘তটিনী’ থেকে ‘গঙ্গা’, ‘অভিমন্যুরা’ যেন তাঁদের পরিবারেরই একজন। অতঃপর ধারাবাহিকের নায়ক-নায়িকাদের পুজো প্ল্যান নিয়ে ‘জাবরা ফ্যান’দের কৌতূহল অমূলক নয়। টেলি তারকাদের পুজো অবশ্য কাজের মধ্য দিয়েই শুরু হয়ে গিয়েছে অনেক আগে। কারণ অনেকেই মহালয়ার শুটিং করেছেন।
পুজোর প্রাক্কালে বিভিন্ন চ্যানেলের মহালয়ার অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অবতারে ধরা দেবেন তারকারা। এবারও যেমন রণজয় বিষ্ণুকে দেখা যাবে মহাদেবের ভূমিকায়। একদিকে ধারাবাহিকের চাপ অন্যদিকে পুজোর উন্মাদনা। তারই মধ্যে চলছে পুজোর প্ল্যান। নিয়ম করে মহালয়াও শোনেন। খুব ভোরে যদি মহালয়া শোনা মিস হয়ে যায়, তাহলে কাজের ফাঁকে দিনের কোনও একটা সময়ে ঠিক মহালয়া শুনে নেন তাঁরা। ষষ্ঠী অবধি ধারাবাহিকের কাজে ব্যস্ত থাকবেন তৃণা সাহা, সুস্মিতা দে’রা। ধারাবাহিকের কাজ থেকে ছুটি মিললেই শহর ছাড়বেন তৃণা। তবে পুজোর সময়ে কলকাতার বাইরে নিখাদ ছুটির মেজাজে থাকলেও অষ্টমীর দিন অঞ্জলি দেওয়া কিন্তু মাস্ট অভিনেত্রীর। অন্যদিকে সুস্মিতা দে শহরেই থাকবেন। এবারের পুজোও তাঁর কাছে স্পেশাল। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, গতবছর যেমন সাহেব ভট্টাচার্যের সঙ্গে অঞ্জলি দিয়েছিলেন এবারও তার অন্যথা হচ্ছে না।
তৃণা, রণজয়রা যেমন বরাবরই শরীর সচেতন। তবে পুজোর ক’টা দিন জিমমুখো হচ্ছেন না তাঁরা। তাঁদের কথায়, “উৎসব শেষ হলেই আবার ব্যাক টু হেলদি লাইফ স্টাইল।”
পুজোয় কলকাতা ছেড়ে বাইরে যাচ্ছেন না মানালি মণীষা দে, স্বস্তিকা দত্ত, হিয়া, রণজয় বিষ্ণুরা। শহরেই পুজো উপভোগ করবেন। এমনকী কাজের অবসরে ঠাকুরও দেখবেন। একবাক্যে তাঁরা সকলেই স্বীকার করে নিলেন যে, পুজোর সময় কাজের চাপ থাকবেই এবং তাঁরাও এই কাজের চাপটাই জীবনে চান। পুজোয় একেকজনের একেকরকম ব্যস্ততা রয়েছে। তৃণা, রণজয়রা যেমন বরাবরই শরীর সচেতন। তবে পুজোর ক’টা দিন জিমমুখো হচ্ছেন না তাঁরা। তাঁদের কথায়, “উৎসব শেষ হলেই আবার ব্যাক টু হেলদি লাইফ স্টাইল।” স্বস্তিকা দত্ত জানালেন, সারা বছর ডায়েটে তিনি থাকেন না। তাই পুজোর সময়ও ডায়েট মেনে চলা নৈব নৈব চ! মানালির কাছে আবার পরিবারের সঙ্গে আড্ডা, বন্ধুদের সঙ্গে ঠাকুর দেখাই পুজোর সেরা আনন্দ। অভিনেত্রী জানালেন, “পুজো আসলেই যেন খুব তাড়াতাড়ি সময় কেটে যায়। তারপরেই একাদশী থেকে আবার ব্যাক টু শুটিং ফ্লোর।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
