এক মাস ধরে নিখোঁজ স্ত্রী। কৈলাস, মানস সরোবরে তীর্থ করতে গিয়ে নেপালের ভয়ংকর হড়পা বানের মুখে পড়েছিলেন। তারপর থেকে আর খোঁজ নেই মুকুল রায়ের পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা রায় ভৌমিকের। না নিহত, না উদ্ধারকারীর তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে। না তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়েছে। জলজ্যান্ত একজন মানুষ সম্পূর্ণ উধাও গত একমাস ধরে! এই পরিস্থিতি যে কতটা মানসিক যন্ত্রণার, তা একমাত্র ভুক্তভোগীই জানেন। এবার স্ত্রীকে পেতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বারস্থ হতে চলেছেন মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু রায়।
স্ত্রীকে ফিরে পেতে এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখতে চলেছেন শর্মিষ্ঠার স্বামী শুভ্রাংশু। ইতিমধ্যে দু’বার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি। রাজ্য সরকারের তরফে নিয়মিত বিদেশমন্ত্রকের মাধ্যমে নেপাল সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে বলে আশ্বাস মিলেছে। কিন্তু তারপরও স্ত্রীর একটি খবরও পাননি। বাধ্য হয়েই এবার প্রধানমন্ত্রীর দুয়ারে শুভ্রাংশু। তাঁর কথায়, “একমাস হয়ে গেল স্ত্রীর কোনও সংবাদ নেই। উৎকণ্ঠায় গোটা পরিবার। তাই ঠিক করেছি, প্রধানমন্ত্রী-সহ সকলকে চিঠি লিখব। সকলের কাছে অনুরোধ, আমার দুই সন্তানের মাকে ফিরিয়ে দিন।”
আরও পড়ুন:
জানা যাচ্ছে, স্ত্রীকে ফিরে পেতে এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখতে চলেছেন শর্মিষ্ঠার স্বামী শুভ্রাংশু। ইতিমধ্যে দু’বার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি। রাজ্য সরকারের তরফে নিয়মিত বিদেশমন্ত্রকের মাধ্যমে নেপাল সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে বলে আশ্বাস মিলেছে। কিন্তু তারপরও স্ত্রীর একটি খবরও পাননি। বাধ্য হয়েই এবার প্রধানমন্ত্রীর দুয়ারে শুভ্রাংশু। তাঁর কথায়, “একমাস হয়ে গেল স্ত্রীর কোনও সংবাদ নেই। উৎকণ্ঠায় গোটা পরিবার। তাই ঠিক করেছি, প্রধানমন্ত্রী-সহ সকলকে চিঠি লিখব। সকলের কাছে অনুরোধ, আমার দুই সন্তানের মাকে ফিরিয়ে দিন।”
শর্মিষ্ঠা-শুভ্রাংশুর এক ছেলে ও এক মেয়ে। বাবার কাছে তাদের রেখে একটি পর্যটন সংস্থার সঙ্গে মানস সরোবর যাত্রায় গিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা। নেপাল হয়ে চিনের ভিসা হাতে পাওয়ার পর মানস সরোবরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল তাঁদের। যেদিন নেপালে বিপর্যয় নামে অর্থাৎ ২৬ আগস্ট, ওইদিন ভোরেই শর্মিষ্ঠাদের চিন সীমান্তের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল। শুভ্রাংশু বারবারই বলেছেন, স্ত্রীর সঙ্গে শেষবার যখন কথা হয়, তখনকার তথ্য অনুযায়ী, হড়পা বানে নেপাল ভেসে যাওয়ার আগেই স্ত্রী নিরাপদে চিনেক দিকে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর তাঁদের আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।
শুভ্রাংশু-শর্মিষ্ঠার ছেলে বেশ ছোট, মেয়ে একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। মা-হীন সংসারে আপাতত দিদিই সামলাচ্ছে ভাইকে। মায়ের ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনছে তারাও। নেপাল বিপর্যয়ে মায়ের মৃত্যু হয়েছে, একথা এখনও মনে করছে না রায় পরিবার। মন মানতে চায় না। আবার অন্যদিকে একমাস পরেও তাঁর সন্ধান না মেলায় উদ্বেগও ক্রমশই বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রী কি সুরাহা করতে পারবেন? শুভ্রাংশু কিন্তু আশাবাদী।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
