পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা থানার ওসি পুরষোত্তম পাণ্ডেকে ক্লোজ করা হল। পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় এক বন্দির। থানার শৌচাগার থেকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়। আর এরপরেই থানার ওসিকে সারনোর নির্দেশ দেন জেলার পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা। চন্দ্রকোনা থানার নতুন ওসি প্রত্যয় দাস। তিনি আগে এসওজি সেলের ওসি ছিলেন।
গত রবিবার চন্দ্রকোনা থানায় লকআপে থাকা বছর কুড়ির রাহুল রুইদাসের ঝুলন্ত দেহ মেলে শৌচাগারে। চুরির অভিযোগে চন্দ্রকোণা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। হেফাজতে থাকাকালীনই থানার শৌচাগার থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছিলেন, ৪ দিন আগে রাহুলকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। সিভিক পুলিশকে দিয়ে বাড়িতে ফোন করে জানানো হয়। দুই পুলিশ অফিসার মৃত্যু নিয়ে দুই রকম কথা বলছেন বলে অভিযোগ তোলে পরিবারের। একজন পুলিশ অফিসার বলেছিলেন, গলায় প্যান্ট পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে মৃত্যু হয়েছে। আবার অন্য পুলিশ অফিসার বলছেন, মাথা ঠুকে মৃত্যু হয়েছে। বাড়ির লোকের অভিযোগ, একটি প্যান্টের সাহায্যে কেউ কীভাবে আত্মহত্যা হতে পারে? তাঁদের অভিযোগ ছিল, হেফাজতে থাকাকালীন রাহুলের উপর অত্যাচার করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
ঘটনার রাতেই থানায় গিয়েছিলেন জেলা পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা। তিনি জানিয়েছিলেন, বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়ে গিয়েছে। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ উঠতেই পুলিশ সুপার দাবি করেছিলেন, দোষ প্রমাণিত হলে পদক্ষেপ করা হবে। এরপরেই ওসিকে অপসারণ করা হল। যদিও পুলিশ সুপারের জানিয়েছেন, এটা রুটিন বদলি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
