গ্রেপ্তার আনন্দপুরের ত্রাস বচ্চন, থানা থেকে বার করতেই উড়ে এল মুহুমুর্হু ডিম, টম্যাটো!

গ্রেপ্তার আনন্দপুরের ত্রাস বচ্চন, থানা থেকে বার করতেই উড়ে এল মুহুমুর্হু ডিম, টম্যাটো!

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ পলাতক। পুলিশ তল্লাশিতে নেমে গ্রেপ্তার করল কাউন্সিলর ঘনিষ্ঠ এলাকার ত্রাস সুজিত পালকে। এলাকায় বচ্চন নামেও তিনি পরিচিত। জানা গিয়েছে, হকারদের থেকে কোটি কোটি টাকা তোলাবাজির অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। কলকাতা পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ এই মুহূর্তে পলাতক রয়েছেন। ধৃত সুজিত ওরফে বচ্চন তাঁর অন্যতম শাগরেদ। এদিন আনন্দপুর থানা থেকে তাঁকে বার করা হলেই মুহুমুর্হু ডিম ছোড়া হতে থাকে। থানার আশেপাশেই স্থানীয়রা জড়ো হয়েছিলেন। থানা থেকে পুলিশ সুজিতকে বার করলেই রীতিমতো উত্তেজনা ছড়ায়। একের পর এক ডিম, টম্যাটো ছোড়া হতে থাকে তাঁকে লক্ষ্য করে। পরিস্থিতি এমন হয়েছিল যে ধৃতকে প্রিজন ভ্যানে পর্যন্ত তোলায় সমস্যা হয়। শেষপর্যন্ত পুলিশ তাঁকে কোনওরকমে ভ্যানে তুলে আদালতের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। 

এই বিষয়ে আরও খবর

তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের বিরুদ্ধে হকারদের থেকে টাকা আদায়, তোলাবাজি, বেআইনি নির্মাণ-সহ একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। থানায় অভিযোগ দায়ের হতেই তাঁর খোঁজে পুলিশ তল্লাশি শুরু করে। এলাকায় তাঁর টিকি মিলছে না। ফোনও ‘সুইচড অফ’! কোথায় গেলেন কলকাতার ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর? মনে করা হচ্ছে, জোড়া এফআইআরের চাপে গা ঢাকা দিয়েছেন সুশান্ত ঘোষ। রাজ্যে সরকার বদল হতেই ১২ নম্বর বরো চেয়ারম্যানের পদ ছেড়েছেন তিনি। 

থানা থেকে পুলিশ সুজিতকে বার করলেই রীতিমতো উত্তেজনা ছড়ায়। একের পর এক ডিম, টমাটো ছোড়া হতে থাকে তাঁকে লক্ষ্য করে। পরিস্থিতি এমন হয়েছিল যে ধৃতকে প্রিজন ভ্যানে পর্যন্ত তোলায় সমস্যা হয়। শেষপর্যন্ত পুলিশ তাঁকে কোনওরকমে ভ্যানে তুলে আদালতের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। 

আনন্দপুর থানায় অভিযোগ দায়েরের পর থেকেই সুশান্ত ঘোষের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। নাকাচেকিংয়ে শুক্রবার ওড়িশা সীমানার দিকে যাওয়ার পথে তৃণমূল কাউন্সিলরের গাড়ি ধরা পড়ে। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই গাড়িতেই ছিলেন সুশান্ত ঘোষের পরিবার। জানা গিয়েছে, পুলিশের জালে সুশান্ত ঘোষের গাড়ির চালক। তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনিও তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত। এবার কলকাতা বিমানবন্দর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হল কাউন্সিলরের সঙ্গী সুজিত পালকে। তাঁকে জেরা করছে পুলিশ। এদিকে সুশান্ত ঘোষের কার্যালয়ে চড়াও হয়েছিলেন সাধারণ মানুষ। কার্যালয়ের ভিতরে একাধিক সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে। একইভাবে বিলাসবহুল বেডরুম আবিষ্কার হয়েছে। সেই ঘরের সঙ্গেই রয়েছে এটাচড ওয়াশরুম।

কাউন্সিলরের সেই কার্যালয় থেকে যেমন একাধিক সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে, তেমনই ওই অফিসের ভেতরেই সন্ধান মিলেছে একটি বিলাসবহুল বেডরুম বা শোওয়ার ঘরের। ভিতরে মিলেছে বিশাল খাট। কী কারণে ওই ঘর তৈরি করা হয়েছিল? সেই নিয়ে জোর চর্চা চলছে।

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *