ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ কি পাকাপাকি ভাবে থামবে এবার? সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের দাবি, সেদিকেই এগচ্ছে পরিস্থিতি। দুই দেশ নাকি প্রাথমিক সমঝোতায় পৌঁছেছে। যদিও প্রস্তাবটি এখনও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রাথমিকভাবে হরমুজ প্রণালীতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনাই আপাতত লক্ষ্য।
জানা যাচ্ছে, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা ফের শুরু করার বিষয়ে একমত হয়েছে দুই দেশ। সপ্তাহের শুরুর দিকেই একমত হয়েছে তারা। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, প্রায় তিন মাস আগে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এই প্রস্তাবিত চুক্তিটিই হতে পারে সবচেয়ে বড় কোনও কূটনৈতিক অগ্রগতি।
আরও পড়ুন:
এদিকে জানা গিয়েছে, প্রস্তাবিত এই চুক্তিতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির প্রচেষ্টা থেকে সরে থাকার বিষয়ে ইরানের একটি অঙ্গীকারও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সব মিলিয়ে চুক্তির বেশিরভাগ শর্ত চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। ইরানের শীর্ষনেতাদের অনুমোদন মিলেছে। কিন্তু ট্রাম্প যেহেতু এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাবটি অনুমোদন করেননি তাই অপেক্ষা আপাতত দীর্ঘতর হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, তিনি এব্যাপারে ভাবার জন্য কয়েকদিন সময় চান।
ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, প্রায় তিন মাস আগে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এই প্রস্তাবিত চুক্তিটিই হতে পারে সবচেয়ে বড় কোনও কূটনৈতিক অগ্রগতি।
ঠিক কী কথা হয়েছে? সংবাদমাধ্যমের সূত্রের দাবি, আলোচকরা ৬০ দিন ব্যাপী এক সময়কালের ব্যাপারে একমত হয়েছেন। উভয়পক্ষ ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবে। এর ফলে জট কাটার পথ ক্রমেই প্রশস্ত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। হোয়াইট হাউস অবশ্য খসড়া সমঝোতার বিস্তারিত তথ্য দেয়নি।
উল্লেখ্য, যুদ্ধবিরতি এখনও বলবৎ থাকলেও নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাতের ধাক্কায় পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ হতে শুরু করেছে। ফলে যুদ্ধ ফের পুরোদমে শুরু হতে পারে। এই অবস্থায় মিলল সুখবর। এখন দেখার, শেষপর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের এই দ্বন্দ্ব থামার দিকে সত্যিই কোনও সদর্থক পদক্ষেপ করতে পারে কিনা দুই দেশ।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
