আশায় জল ঢাললেন অধ্যক্ষ, বিধানসভায় তৃণমূলের ঘর পাওয়া এখনও বিশবাঁও জলে!

আশায় জল ঢাললেন অধ্যক্ষ, বিধানসভায় তৃণমূলের ঘর পাওয়া এখনও বিশবাঁও জলে!

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিরোধী দলের ঘর পাওয়া আপাতত বিশবাঁও জলে। এই মুহূর্তে ঘর সংস্কারের কাজ চলছে। সেই কাজ শেষ হলেই ঘর তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। এমনই জানিয়েছেন বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসু। ফলে কবে বিধানসভায় ঘর পাবে তৃণমূল? সেই নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। গতকাল, সোমবার তৃণমূলের অন্দরে চর্চা হয়েছিল, হয়তো আজ, মঙ্গলবারই বিধানসভায় ঘর মিলবে।

এই বিষয়ে আরও খবর

সম্প্রতি তৃণমূলকে বিরোধী দলের মর্যাদা দেওয়া নিয়ে বিধানসভায় জটিলতা তৈরি হয়েছে। বালিগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে তৃণমূল পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে উল্লেখ করে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাক্ষর করা একটি চিঠি বিধানসভার সচিবালয়ে জমা পড়ে। কিন্তু সেই চিঠি পরিষদীয় রীতিকে মান্যতা দেয় না বলে জানায় বিধানসভার সচিবালয়। অভিষেকের সেই চিঠি নিয়ে স্পিকার জানান, তৃণমূলের এই চিঠিতে পরিষদীয় দলের স্বাক্ষর নেই। রীতি মেনে তৃণমূলের বিধায়কদের স্বাক্ষর করা চিঠি বিধানসভার সচিবালয়ে জমা দিলেই তৃণমূলকে বিরোধী দলের মর্যাদা দেওয়া হবে। সেই মতো তৃণমূলের পরিষদীয় দলের তরফে নিয়ম মেনে চিঠি জমা দেওয়া হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও ঘর দেওয়া হচ্ছে না বলে বিধানসভায় স্পিকারের ঘরের সামনে ধরনায় বসেন তৃণমূল বিধায়করা। 

এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথমবার বিধানসভায় আসেন অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসু। তৃণমূলের যাবতীয় আর্জি, চিঠি, রেজোলিউশনের কপি তিনি খতিয়ে দেখেন। পরে তিনি জানান, বিরোধী দলের ঘর সংস্কারের কাজ চলছে।

গতকাল জানা গিয়েছিল, ঘর পেতে তৃণমূলের তরফে যে চিঠি বিধানসভার সচিবালয়ের কাছে পাঠানো হয়েছিল, তার জবাব দেওয়া হয়েছে। সচিবালয়ের জবাবি চিঠিতে জানানো হয়েছে, আজ তৃণমূলের আর্জি অধ্যক্ষের কাছে পেশ করা হবে। এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথমবার বিধানসভায় আসেন অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসু। তৃণমূলের যাবতীয় আর্জি, চিঠি, রেজোলিউশনের কপি তিনি খতিয়ে দেখেন। পরে তিনি জানান, বিরোধী দলের ঘর সংস্কারের কাজ চলছে। সেসব হয়ে গেলেই তাদের হাতে ঘর তুলে দেওয়া হবে।

আজ, কাজি নজরুল ইসলামের জন্মদিন। সেই উপলক্ষে বিধানসভায় তাঁর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তার আগেই দুপুরে শ্রদ্ধা জানিয়ে যান বিরোধী দলের বিধায়করা। ছিলেন তৃণমূল পরিষদীয় দলের মনোনীত দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়-সহ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহা, কুণাল ঘোষ প্রমুখরা। এদিনও নিজেদের ঘর পাওয়া নিয়েও তদবির করতে চেয়েছিলেন বর্ষিয়ান বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু তার আগেই অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসু ওই বক্তব্য জানিয়ে দিয়েছেন। তবে পাল্টা জবাব দিয়েছেন কুণাল। তাঁর প্রশ্ন, “বিধানসভা গঠিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তো মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি শাসকদলের অন্যান্য ঘর সংস্কার হয়ে গেল। বিরোধী তৃণমূলের ক্ষেত্রে তাহলে এত দেরি হবে কেন!”

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *