ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে জোর আলোড়ন ফেলেছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। এবার সিজিপি-র পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ককরোচ জনতা পার্টিকে সমর্থন করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন এই বার্তা দিয়েছেন। সোমবার এই বিষয়ে এক্স হ্যান্ডেলে টুইট করেছেন ডেরেক। তিনি লিখেছেন, “সারা সপ্তাহ ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক। দু’জনেই ন্যায়ের জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ইস্পাত-কঠিন সংকল্প।” তার সঙ্গেই তৃণমূল সাংসদ লেখেন, আরশোলাদের প্রতিও পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন মমতা ও অভিষেক।
এই বিষয়ে আরও খবর
ডেরেকের এই টুইটের পরেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা, গুঞ্জন ছড়িয়েছে। বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতা হারিয়েছে। বিজেপি বিপুল জনমত নিয়ে এবার বাংলায় প্রথমবারের জন্য ক্ষমতায় এসেছে। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল নেত্রী নিজে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে ভোটে হেরে ‘প্রাক্তন’ হয়েছেন। ফলতায় পুনর্নির্বাচনে তৃণমূলের হারের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ও ধরাশায়ী। সেই আবহে তৃণমূল সুপ্রিমোর ককরোচ জনতা পার্টিকে সমর্থন অত্যন্ত ইঙ্গিতপূর্ণ। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। বিজেপি বিরোধিতা বাড়াতেই সিজিপি-র পাশে মমতা ও অভিষেক। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
Purposive conferences all week with @mamataofficial and @abhishekaitc. Each centered on preventing the great struggle. Steely resolve.
Oh they usually each expressed their fondness and full help for Cockroaches🪳
— Derek O’Brien | ডেরেক ও’ব্রায়েন (@derekobrienmp) May 25, 2026
প্রসঙ্গত, ভারতের অনেক রাজনীতিক, পরিবেশবিদ ও তারকাও ককরোচ জনতা পার্টিকে সমর্থন জানিয়েছেন। বিজেপি বিরোধীদের সেই তালিকায় আছেন অখিলেশ যাদব, কংগ্রেস নেতা শশী থারুর, জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ধ্রুব রাঠী, পরিবেশ আন্দোলনকর্মী সোনম ওয়াংচুক, বিশিষ্ট আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণরা। এবার সেই তালিকায় যোগ হলেন মমতাও। জানা গিয়েছে, ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠতা অভিজিৎ আগে আম আদমি পার্টি (আপ)-র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে অভিজিৎ আপের হয়ে সমাজমাধ্যমে প্রচারের কাজ করেছিলেন। নয়া এই রাজনৈতিক ফ্রন্টটির আদর্শবাণী হল- ধর্মনিরপেক্ষ, সমাজতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক, অলস। ইতিমধ্যেই তাঁরা নিট কেলেঙ্কারি-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রতিবাদেও সরব হয়েছে। দেশের প্রধান বিচারপতির ‘কটাক্ষমূলক’ মন্তব্যের প্রতিবাদে আত্মপ্রকাশ করা প্রতীকী রাজনৈতিক দল ককরোচ জনতা পার্টি এখন চর্চার কেন্দ্রবিন্দু।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
