শ্রাবণ মাসে দেশজুড়ে বহু হিন্দু ধর্মাবলম্বীই নিরামিষ খান। তেমনই এক পরিবারের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠল আমিষ খেতে চাওয়া ছেলেকে খুন করার! এখানেই শেষ হয়ে যায়নি ব্যাপারটা। অভিযোগ, খুনের পর ছেলের দেহ ও প্রমাণ লোপাট করতেও চেয়েছিলেন তিনি। আর এই কাজে নাকি তাঁকে সাহায্যও করেন তাঁর স্ত্রী। গ্রেপ্তার করা হয়েছে দু’জনকেই।
নিহত যুবক বছর তিরিশের মহেশ গায়কোয়াড় পুণের বাসিন্দা। পুলিশের সূত্র জানাচ্ছে, শ্রাবণ মাসে মহেশের পরিবারে কোনও ধরনের আমিষ খাওয়া হয় না। এবার তার ব্যতিক্রম ছিল না। কিন্তু এবার মহেশ তাঁর পরিবারকে জানান, তিনি বাড়িতে খাসির মাংস খেতে চান। আর এই দাবিকে কেন্দ্র করেই শুরু হয় বচসা। এরপরই বাবা ও ছেলের মধ্যে তীব্র তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। ক্রমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। অভিযোগ, তাঁর বাবা তাঁকে মারধর করতে থাকেন। মার খেয়ে প্রবল আহত হন মহেশ। এরপর ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়ে তাঁর নিষ্প্রাণ দেহ।
কিন্তু ঘটনার এখানেই শেষ নয়। দাবি, মহেশের মা ও বাবা দু’জনে মিলেই চেষ্টা করেন সমস্ত প্রমাণ লোপাট করে দিতে। যাতে পুলিশ কোনওভাবেই বিষয়টি বুঝতে না পারে। কিন্তু পুলিশের কাছে খবর যেতেই তারা নড়েচড়ে বসে। তদন্তকারীদের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত পদক্ষেপ করে। ক্রমে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়। উভয় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দু’জনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। রুজু হয়েছে মামলা।
