WPI Inflation | পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে দাঁড়াল ৯.৯২ শতাংশে, পকেট বাঁচাতে হিমশিম খাচ্ছে আমজনতা!

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: বাজারে গেলেই ছ্যাঁকা খাচ্ছে আমজনতার থলি, কারণ সর্বত্রই আগুন লেগেছে জিনিসের দামে (Value Hikes)। সরকারি হিসেব বলছে, গত অগাস্ট মাসে দেশের পাইকারি মূল্যভিত্তিক মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৯.৯২ শতাংশে, যা জুলাইয়ে ছিল ৯.৭৮ শতাংশ (WPI Inflation)। এই নিয়ে টানা চার মাস ধরে মুদ্রাস্ফীতির পারদ ১০ শতাংশের কাছাকাছি ঘোরাফেরা করছে, যা নিয়ে রীতিমতো কপালে হাত পড়েছে অর্থনীতিবিদদের।

খাবারের থালায় টান পড়ছে সবচেয়ে বেশি। শাকসবজি থেকে শুরু করে চিনি, ডাল, দুধ কিংবা মাংস—সবকিছুরই দাম চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে অগাস্টে চিনির দাম রেকর্ড স্তরে পৌঁছানোর কারণে সরকারের অন্দরেও চিন্তা বেড়েছে। ঘরোয়া বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে মে মাস থেকে যে চিনি রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল, তা আপাতত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বলবৎ রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচা তেলের দাম ব্যারেল প্রতি প্রায় ১০৮ ডলারে গিয়ে ঠেকায় এবং রান্নার গ্যাসের দাম চড়ায় জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের মুদ্রাস্ফীতি এক ঝটকায় ২০.০৫ শতাংশ থেকে লাফিয়ে পৌঁছে গিয়েছে ২২.৯৩ শতাংশে। খামখেয়ালি বর্ষার জেরে জমিতেই মার খাচ্ছে ফসল, যার সরাসরি কোপ এসে পড়ছে সাধারণ মানুষের সাধারণ খরচে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে গত মাসে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া বা আরবিআই (RBI) সুদের হার অপরিবর্তিত রাখলেও, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নিং বডির বৈঠকে কিন্তু স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে। রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে, খাদ্য ও জ্বালানির এই চড়া দাম যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং তার জেরে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশায় ও বাজারে সার্বিকভাবে আগুন ছড়ায়, তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সুদের হার বাড়াতেও দু’বার ভাববে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সবমিলিয়ে, বিশ্ববাজারের অস্থিরতা আর দেশের ভেতরের জোগান ব্যবস্থার টানাপোড়েনে উৎসবের মরশুমের আগে সাধারণ মানুষের পকেটে যে বড়সড়ো টান পড়তে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *