উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: শরীর সুস্থ রাখতে চিকিৎসক থেকে পুষ্টিবিদ— সকলেই বাইরের তেল-মশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে ঘরের তৈরি খাবারে ভরসা রাখার পরামর্শ দেন। কিন্তু প্রশ্ন হল, বাড়ির খাবার মানেই কি তা চিরকাল স্বাস্থ্যকর? উত্তরটা লুকিয়ে আছে আপনার রান্নার কৌশলে (Wholesome Dwelling ooking Suggestions)।
পুষ্টিবিদদের মতে, খাবারের গুণমান পুরোপুরি নির্ভর করে রান্নার পদ্ধতির ওপর। বাড়ির খাবারে টাটকা উপকরণের নিশ্চয়তা থাকে। তবে স্বাদ বাড়াতে গিয়ে যদি যথেচ্ছ তেল, ঘি বা মাখন ব্যবহার করা হয়, তবে সেই খাবার হিতে বিপরীত হতে পারে। বিশেষ করে বর্তমান ব্যস্ত জীবনে রান্নাঘরে হিমায়িত বা প্রক্রিয়াজাত খাবারের (Frozen Meals) ব্যবহার বাড়ছে, যা মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। তাই বাড়ির খাবারকে প্রকৃত অর্থেই পুষ্টিকর করে তুলতে কয়েকটি বিষয়ে নজর দেওয়া জরুরি:
রান্নার ধরন: উচ্চ তাপমাত্রায় দীর্ঘক্ষণ রান্না করলে বা ছাঁকা তেলে ভাজলে খাবারের ভিটামিন ও খনিজ নষ্ট হয়ে যায়। রান্নায় ভাপানো (Steaming) বা অল্প আঁচে নাড়াচাড়ার কৌশল ব্যবহার করলে পুষ্টিগুণ অটুট থাকে।
সংযম: তেল বা ঘি শরীরের জন্য প্রয়োজনীয়, তবে তা হতে হবে পরিমিত। অতিরিক্ত ফ্যাট ওজন বৃদ্ধির পাশাপাশি হজমের সমস্যা তৈরি করে।
পরিচ্ছন্নতা: শুধু উপকরণ নয়, রান্নার বাসনপত্র এবং হেঁশেলের মোছার কাপড়টিও যেন জীবাণুমুক্ত থাকে। অস্বাস্থ্যকর রান্নাঘর থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি প্রবল।
উপকরণ নির্বাচন: খাদ্যতালিকায় নিয়মিত টাটকা শাকসবজি, দানাশস্য এবং তাজা মাছ-মাংস রাখুন।
পরিশেষে, সুস্বাস্থ্য কেবল বাড়ির খাবারের ওপর নয়, বরং সেই খাবার কতটা বৈজ্ঞানিক উপায়ে তৈরি হচ্ছে— তার ওপর নির্ভর করে। তাই সুস্থ থাকতে রান্নার স্বাদের সাথে আপস না করেও পরিমিতবোধ বজায় রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।
