উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক আঙিনায় হঠাৎই গতিপ্রকৃতি বদলের ইঙ্গিত। নবান্ন থেকে শুরু করে বিজেপির কার্যালয় (West Bengal political shakeup)—সবক্ষেত্রেই বৃহস্পতিবারের ঘটনাক্রম যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। এদিন রাজ্যের রাজনৈতিক অন্দরে যেভাবে গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের যাতায়াত ও সাক্ষাতের ঘটনা ঘটেছে, তাতে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
এদিন সকলের নজর ছিল রাজ্যের প্রশাসনিক ভবন নবান্নের (Nabanna) দিকে। বিকেলের দিকে আচমকাই নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari) সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। গিয়েছেন ইউসুফ পাঠানও। মুখ্যমন্ত্রী না থাকায় অপেক্ষা করছেন তাঁরা। অন্যদিকে সল্টলেকে বিজেপি দপ্তরে গিয়েছেন তৃণমূলের পদত্যাগী রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিকবরাইক। এরা বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, যেভাবে বিরোধী এবং শাসক দলের নেতারা ঘনঘন নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করছেন বা একে অপরের সঙ্গে বৈঠক করছেন, তাতে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে নতুন কোনো রাজনৈতিক চমক অপেক্ষা করছে কি না, তা এখন সময়ের অপেক্ষা।
কিছুদিন আগেই রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে পদত্যাগ করে তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করেছেন সুখেন্দু শেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিকবরাইকরা। সামনেই ওই ৩ পদে নির্বাচন। কারা প্রার্থী হবেন তা এখনও স্পষ্ট করেনি বিজেপি। সেই আবহেই তাদের গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা জোরদার হয়েছে। অন্যদিকে, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় সম্প্রতি পদ্মশ্রী পান। তাঁর সঙ্গে বাড়িতে গিয়ে দেখা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। কয়েকদিন আগেই প্রসেনজিতের বাড়িতে যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শা। তারপরই নবান্নে প্রসেনজিতের পৌঁছে যাওয়া নিয়েও জল্পনা ছড়িয়েছে। বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠানও সম্প্রতি তৃণমূল ত্যাগ করে বিজেপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছেন। তিনিও নবান্নে পৌঁছে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

