West Bengal Police Modernization | পুলিশের গায়ে আঁচড়ও বরদাস্ত নয়! হৃতগৌরব ফেরাতে শুভেন্দুর মেগা প্ল্যান

West Bengal Police Modernization | পুলিশের গায়ে আঁচড়ও বরদাস্ত নয়! হৃতগৌরব ফেরাতে শুভেন্দুর মেগা প্ল্যান

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক : রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কড়া বার্তা দিয়ে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। এবার সরাসরি রাজ্যের পুলিশ বাহিনীর মনোবল বাড়াতে এবং তাদের হারানো সম্মান ফিরিয়ে দিতে উদ্যোগী হল নতুন সরকার। “পুলিশের গা থেকে আর এক ফোঁটা রক্তও ঝরবে না”— বুধবার এভাবেই পুলিশকর্মীদের সুরক্ষার গ্যারান্টি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে, বাহিনীর খোলনলচে বদলে ফেলতে একগুচ্ছ নয়া পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন তিনি (West Bengal Police Modernization)।

একসময়ের ‘স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড’ খ্যাত কলকাতা পুলিশ তথা রাজ্য পুলিশের পরিকাঠামোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে এদিন এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে থাকা রাষ্ট্রীয় রক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের একটি গুরুত্বপূর্ণ মউ (MoU) স্বাক্ষরিত হয়। মুখ্যমন্ত্রীর মতে, এই চুক্তির মূল লক্ষ্যই হলো— আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর নির্ভরতা কমিয়ে রাজ্য পুলিশকে স্বনির্ভর, আত্মবিশ্বাসী এবং দক্ষ করে তোলা।

পূর্বতন সরকারের আমলে পুলিশকে যথাযথভাবে ব্যবহার না করা এবং তাদের ওপর হামলার ঘটনাগুলির তীব্র সমালোচনা করেন শুভেন্দু। বিগত এক দশকে বারংবার পুলিশের আক্রান্ত হওয়ার ছবি সামনে এসেছে। অতীতে হরিমোহন ঘোষ কলেজে ছাত্রভোটের দিন গোলমাল ঠেকাতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন এক পুলিশকর্মী। ২০১৪ সালে আলিপুর থানায় শাসকদলের কর্মীদের তাণ্ডব থেকে বাঁচতে খোদ পুলিশকর্মীদের টেবিলের তলায় আশ্রয় নিতে হয়েছিল। এই লজ্জাজনক ঘটনাগুলি স্মরণ করিয়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা, অপরাধীদের হাতে পুলিশ মার খাবে, এমন দৃশ্য এই জমানায় আর দেখা যাবে না। পুলিশকর্মীদের হাসপাতালে যাওয়ার দিন শেষ। জনগণ এবং পুলিশ— উভয়ের নিরাপত্তাই এই সরকারের অগ্রাধিকার।”

জনগণের প্রত্যাশা পূরণে পুলিশকে আরও শক্তিশালী করতে রাজ্য সরকার যে রূপরেখা তৈরি করেছে, এদিন তার একটি সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। বাহিনীর আত্মরক্ষার জন্য পুলিশকে অত্যাধুনিক ও আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহ করার ক্ষেত্রে সরকার সম্পূর্ণ মদত দেবে।  পুলিশে কর্মী ঘাটতি মেটাতে লোকবল বৃদ্ধি করা হচ্ছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আনা হচ্ছে চূড়ান্ত স্বচ্ছতা। প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে বসে থাকা ১৬ হাজার কনস্টেবলকে দ্রুত মূল বাহিনীর কাজে লাগানোর জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে প্রশাসন। সঠিক পরিকাঠামো এবং সদিচ্ছার অভাবে পূর্বতন জমানায় পুলিশ সাধারণ মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে রাষ্ট্রীয় রক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এই চুক্তি এবং আসন্ন বিশাল নিয়োগ প্রক্রিয়ার হাত ধরে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ফের তাদের পুরোনো গরিমা ফিরে পাবে বলে আশাবাদী রাজ্যের নতুন সরকার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *