মহিলা বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের হয়ে খেলছেন রামমোহনের বংশধর! কে এই প্রিয়নাজ চ্যাটার্জি?

মহিলা বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের হয়ে খেলছেন রামমোহনের বংশধর! কে এই প্রিয়নাজ চ্যাটার্জি?

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


মহিলা বিশ্বকাপে ভারতীয় দলে আছেন এক বাঙালি। তাঁর নাম সবাই জানেন- রিচা ঘোষ। কিন্তু জানেন কি, বিশ্বকাপে আরেক বাঙালিও খেলছেন? না, বাংলাদেশ মহিলা ক্রিকেট দলের কথা বলা হচ্ছে না। বলা হচ্ছে, রাজা রামমোহন রায় ও ঠাকুরবাড়ির এক বংশধরের কথা। তাঁর নাম প্রিয়নাজ চ্যাটার্জি। ৩২ বছর বয়সি ক্রিকেটার খেলছেন স্কটল্যান্ড দলের হয়ে।

আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে জিতে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে স্কটিশ মেয়েরা। সেই ম্যাচে ব্যাট হাতে ৫ রান ছাড়াও এক ওভার বল করেছেন প্রিয়নাজ। ১৯৯৩ সালে স্কটল্যান্ডের ডান্ডিতে তাঁর জন্ম। ২০১৮ সালে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক। স্কটল্যান্ডের হয়ে ২৮টি ম্যাচ খেলেছেন, ছিলেন বিগ ব্যাশ লিগেও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ‘ – এর পাতায়।

চোখ রাখুন

আরও পড়ুন:

পদবি চ্যাটার্জি শুনেই বোঝা যাচ্ছে, প্রিয়নাজের সঙ্গে বাংলার যোগ আছে। তাঁর বাবার নাম মনোজিৎ চ্যাটার্জি। ১৯৫১ সালে মুম্বইয়ে জন্ম। পরে দিল্লি ও এলাদাবাদ ঘুরে চলে যান ক্যাম্ব্রিজে। সেখানে উচ্চশিক্ষা শেষ করে অধ্যাপনা করেছেন। অ্যাসেক্স ও ডান্ডি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির যথেষ্ট নামকরা অধ্যাপক। ক্লাস করেছেন অমর্ত্য সেনের কাছেও।

কিন্তু শিকড় ছিল কলকাতাতে। বছর কয়েক আগে একটি সংবাদপত্রে তিনি বলেছিলেন, “আমার বাবার দিক পিতৃপুরুষ ছিলেন রাজা রামমোহন রায় ও দ্বারকানাথ ঠাকুর। আমার প্রপিতামহ মোহিনী চ্যাটার্জি ভগবদ্গীতা সংস্কৃত থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন। কবি ডব্লু বি ইয়েটস তাঁর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। তাঁর নামে একটি কবিতা লিখেছিলেন। আমার মায়ের বাবা প্রেসিডেন্সি কলেজের অধ্যাপক ছিলেন। বাবা মনোজ মোহন চ্যাটার্জি ছিলেন সাংবাদিক।” মনোজিতের সঙ্গে বিয়ে হয় অঞ্জুম রহমতুল্লার। তাঁদেরই সন্তান প্রিয়নাজ। তবে শুধু ক্রিকেটেই কেরিয়ার আটকে নেই প্রিয়নাজের। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেছেন। এছাড়া বিশ্বজুড়ে লো কার্বন এনার্জির পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করেছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ‘ – এর পাতায়।

চোখ রাখুন

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *