উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ রক্তে যতরকম দূষিত পদার্থ থাকে তা মুত্রের মাধ্যমে বের করতে সাহায্য করে কিডনি। কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে তার প্রভাব পড়বে সমগ্র শরীরে। বিকল হয়ে যেতে পারে শরীরের অন্য প্রত্যঙ্গও। সারা বিশ্বজুড়ে শরীরে কিডনির সমস্যা বাড়ছে। নিজেকে ভালো রাখতে গেলে সুস্থতা সবার আগে প্রয়োজন। আর তার জন্যে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যঙ্গটিকে ভালো রাখা জরুরি (Well being ideas)। আর কিডনিকে ভালো রাখতে গেলে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল পান করতে হবে।
কেন জল প্রয়োজন?
শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করার জন্যে জলের গুরুত্ব অপরিসীম। অতিরিক্ত জল খেলেও যেমন সমস্যা হয় ঠিক তেমনই জলের পরিমাণ কম হলে কিডনির ওপর প্রভাব পরে। জল কম খাওয়ার কারণে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল পান করা দরকার। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দিনে গড়ে ৩-৪ লিটার জল পান করা দরকার। প্রসূতিদের ক্ষেত্রে বাড়তি ৭০০ মিলিলিটার এবং স্তন্যদায়ী মায়েদের অতিরিক্ত ৯৫০ মিলিলিটার জল শরীরে দরকার। কাঠবাদাম, ওটস এবং নারকেল কিডনি ভালো (Well being ideas) রাখতে সাহায্য করে। চিনি জাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো। মুসম্বি, বাতাবি, কমলা, যে কোনও রকম লেবুই কিডনির স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য ভালো। লেবুর রস, আপলের স্মুদি, টাটকা সব্জির রস খাওয়া যেতে পারে জলের ঘাটতি মেটাতে। সোডা, এনার্জি ড্রিঙ্ক, চিনি দেওয়া শরবত, অ্যালকোহল কিডনির পক্ষে খুবই ক্ষতিকর। তবে চিনি ছাড়া চা, ডিটক্স পানীয়ে চুমুক দেওয়া যেতে পারে।
