নির্বাচন-ক্ষমতা ঘিরে বিএনপি-জামাত কাজিয়া অব্যাহত!

নির্বাচন-ক্ষমতা ঘিরে বিএনপি-জামাত কাজিয়া অব্যাহত!

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


নিজস্ব সংবাদদাতা: ফেব্রুয়ারির আসন্ন সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিএনপি ও জামাতে ইসলামির মধ্যে প্রায় প্রতিদিনই নিত্যনতুন ইস্যুতে বাদ-প্রতিবাদের খবর আসছে। আবারও জামাতে ইসলামিকে অতীতের ইতিহাসের জন্য দেশের জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে বলেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক।

শুক্রবার ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ স্বাধীনতা ঘোষক পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। জামাতের উদ্দেশে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, দয়া করে আস্তে আস্তে রাজনৈতিক কৌশল পরিবর্তন করেন। জনগণের কাছে ক্ষমা চান। অতীতের ইতিহাসে দোষ-ত্রুটি থাকলে ক্ষমা চেয়ে আসেন। একদিকে বলেন পিআর না হলে নির্বাচনে যাব না, অন্যদিকে বলেন গণভোট না হলে নির্বাচনে যাব না।
ফারুখ বলেন, শুধু শেখ হাসিনা নয়, শেখ মুজিবের অধীনেও নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। দিল্লির প্ররোচনায় বাংলাদেশের কিছু লোক যদি আবারও আওয়ামি লিগের সঙ্গে আঁতাঁত করে এই সরকারের নির্বাচনকে বানচাল করার চেষ্টা করেন তাহলে জনগণ প্রতিহত করবে। আর নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য নানা পদ্ধতি, নানা কায়দা, পিআর, মব সৃষ্টির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তার ভাষায় ষড়যন্ত্র এখনও শেষ হয়নি।

এদিকে বাংলাদেশ জামাতে ইসলামির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার জানিয়েছেন, দলটি সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতি বাস্তবায়নের দাবি আদায় করেই জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেবে। এ দাবির পক্ষে গণভোট আয়োজনের আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। রাজধানীর ফার্মগেটে ‘জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ও নির্বাচন’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য দেন তিনি। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে অ্যাগ্রিকালচারাল ফোরাম অব বাংলাদেশ (এএফবি)। গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আমরা নির্বাচনে যাব, তবে পিআর পদ্ধতির বাস্তবায়ন নিশ্চিত করেই যাব। এই দাবি অব্যাহত থাকবে। দাবি না মানলে আমাদের পরবর্তী করণীয় সময়মতো জানানো হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের জনগণ এখন সচেতন। সবাইকে বাদ দিয়ে এককভাবে নির্বাচন আয়োজনের সুযোগ নেই। আমরা চাই গণভোট হোক—জনগণ যদি পিআর পদ্ধতির পক্ষে মত দেয়, তাহলে সব দলকে তা মানতে হবে বিএনপি নেতা ফারুক আরও বলেন, শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলার জন্য ১৬ বছর ধরে অনেক চেষ্টা করা হয়েছে। মানুষের হৃদয় থেকে শহিদ জিয়ার নাম মুছতে পারেনি। পাথর মেরে ছবি ভেঙে ফেলা যায়, কিন্তু হৃদয় থেকে নাম মুছে ফেলা যায় না। তিনি বলেন, এদেশের জনগণ জানে শহিদ জিয়ার দল যতবারই ক্ষমতায় গিয়েছে, জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেনি। তারেক রহমানের যে আত্মত্যাগ, অন্তর্বর্তী সরকার যদি একটা সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে পারে, তাহলে তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *