Uttar Dinajpur | জেলা ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশনে দুর্নীতির পাহাড়প্রমাণ অভিযোগ, পদত্যাগ করলেন তিন শীর্ষ কর্তা!

Uttar Dinajpur | জেলা ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশনে দুর্নীতির পাহাড়প্রমাণ অভিযোগ, পদত্যাগ করলেন তিন শীর্ষ কর্তা!

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


রায়গঞ্জ: উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলা ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশন দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ। এক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের অভিযোগ, প্রতিমাসে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা ফি নেওয়া হলেও কোনও রসিদ দেওয়া হয় না। অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের অভিযোগ, তাঁদের অন্ধকারে রেখেই স্বেচ্ছাচারিতা চালিয়েছেন এক কর্মকর্তা। এই অভিযোগকে ঘিরে পদত্যাগ করেছেন সংগঠনের কার্যনির্বাহী সভাপতি, সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ। রবিবার সংগঠনের পরিচালন সমিতির বৈঠকে তাঁদের পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়।

তিন কর্মকর্তার পদত্যাগকে কেন্দ্র করে সংগঠন পরিচালনায় জটিলতা দেখা দিয়েছে। আপাতত দুই পদাধিকারীকে দায়িত্ব দিয়ে অ্যাড হক কমিটির মাধ্যমে কাজ চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে পরিচালন সমিতির সদস্য প্রবীর গুহ বলেন, ‘আমাদের এতদিন অন্ধকারে রাখা হয়েছিল। কোনও স্বচ্ছতা ছিল না। জেলার ব্যাডমিন্টনের (Badminton) যে গৌরব ছিল, তা আজ ধূলিসাৎ। আপাতত দুজনের ওপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁরা সবকিছু চালাবেন। পরবর্তী সময়ে নির্বাচন হবে।’

গত রবিবার রাতে রায়গঞ্জ (Raiganj) শহরের বন্দর রোডে ব্যাডমিন্টনের কোচিং সেন্টারে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সদস্যদের উপস্থিতিতে তাঁদের পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়। অন্যদিকে, তিন পদাধিকারীর পদত্যাগের কারণে গত দু’মাস ধরে বেতন পাননি ৭ জন কোচ সহ মোট ১০ জন কর্মী।

পাশাপাশি, কোচদের বেতন নিয়েও বিতর্ক দেখা দিয়েছে। এই বিতর্কের মাঝে এক মহিলা কোচও চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। জেলা ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশনে প্রায় ১০০ জন ছেলেমেয়ে প্রশিক্ষণ নেয়। বয়স্করাও রাত ৯টার পর কোচিং নেন। শিক্ষার্থীদের মাসিক ফি ১০৫০ থেকে ১৩৫০ টাকা। এই ফি থেকেই কোচদের বেতন, বিদ্যুৎ বিল ও অন্যান্য খরচ মেটানো হয়। সব মিলিয়ে প্রতিমাসে প্রায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা প্রয়োজন।

পরিচালন সমিতির একাংশের অভিযোগ, বিদায়ি সম্পাদক নির্মল ঘোষ দীর্ঘদিন হিসাবপত্র প্রকাশ না করে এককভাবে সংগঠন পরিচালনা করেছেন। পরিবারের সদস্যকে কোচ হিসেবে নিয়োগপত্র দিয়ে সর্বোচ্চ বেতন দেওয়ার মাধ্যমে দুর্নীতি হয়েছে।

প্রাক্তন সম্পাদক সমরেশপ্রসাদ ঘোষের দাবি, দীর্ঘ নয় বছরে কী হয়েছে জানা যায়নি। আগে রাজ্য স্তরে সাফল্য এলেও এখন তা নেই। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে কতজন শিক্ষার্থী কোচিং নেয় এবং ফি বাবদ কত টাকা ওঠে, তার ব্যাপারে কিছুই জানি না।’

যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে সদ্য বিদায়ি সম্পাদক নির্মল ঘোষ বলেন, ‘প্রচণ্ড আর্থিক সংকটের মধ্যে সংগঠন চালাতে হচ্ছিল। শিক্ষার্থীদের ফি দিয়ে সব খরচ মেটানো সম্ভব নয়। রাজ্য স্তরের প্রতিযোগিতা হলে কিছু অর্থ আসে। চাপের মধ্যে কাজ করা সম্ভব হচ্ছিল না বলেই জেলা শাসকের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলাম।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *