দীপঙ্কর মিত্র, রায়গঞ্জ: বন দপ্তরের অনুমতি না নিয়ে সরকারি জমিতে থাকা ৩৬টি গাছ কাটার (Unlawful tree felling) অভিযোগ উঠল শীতগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তৃণমূল কংগ্রেসের এখতিখার আলির বিরুদ্ধে। ঘটনায় বন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বন দপ্তরও অভিযোগ দায়ের করেছে রায়গঞ্জ থানায়। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মহিপুর এলাকায়।
স্থানীয়দের দাবি, সরকারি জমিতে থাকা গাছগুলি কেটে প্রায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জমিরও কিছু গাছ কাটার অভিযোগ রয়েছে উপপ্রধানের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় উপপ্রধান সহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা। বন দপ্তরের স্থানীয় রেঞ্জ অফিসার শৌভিক ঝা বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। সরকারি জমিতে প্রায় ২৯টি গাছ কেটে নেওয়ার প্রমাণ পেয়েছি। তদন্ত শুরু হয়েছে। আমাদের পাশাপাশি পুলিশও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ করা হবে।’
বন দপ্তর সূত্রে খবর, রায়গঞ্জের (Raiganj) কৃষ্ণমুড়ি-পানিশাল এলাকায় ২৯টি গাছের গুঁড়ি উদ্ধার হলেও কাঠ পাওয়া যায়নি। কোনও রকম অনুমতি ছাড়াই গাছগুলি কাটা হয়েছে। ঘটনায় কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে রায়গঞ্জ থানায় এফআইআর দায়েরের পাশাপাশি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বন দপ্তর লিখিতভাবে পুলিশকে অনুরোধ করেছে।
অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শীতগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান এখতিখার। তাঁর দাবি, এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না এবং ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে অবৈধভাবে গাছ কাটার অভিযোগ সামনে আসায় রাজনৈতিক উত্তাপও বাড়ছে এলাকায়।

