Unlawful resort | কূর্তি নদীর ধারে অবৈধ রিসর্ট! প্রশাসনের কড়া আল্টিমেটাম, নেপথ্যে কার হাত?

Unlawful resort | কূর্তি নদীর ধারে অবৈধ রিসর্ট! প্রশাসনের কড়া আল্টিমেটাম, নেপথ্যে কার হাত?

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


চালসা: অবৈধভাবে নদীর চরে তৈরি করা হয়েছে রিসর্ট (Unlawful resort)। এবার সেই রিসর্ট খালি করার নির্দেশ দিল প্রশাসন। মাটিয়ালি (Matiali) ব্লকের মাটিয়ালি বাতাবাড়ি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত গোয়ালডাঙ্গা এলাকার কূর্তি নদীর ধারে রয়েছে ওই রিসর্টটি। শনিবার বিকেলে মাল মহকুমা প্রশাসনের তরফে ওই রিসর্টে গিয়ে নোটিশ লাগিয়ে দেওয়া হয়। প্রশাসনের তরফে আগামী ১০ জুলাই-এর মধ্যে রিসর্ট কর্তৃপক্ষকে সমস্ত জিনিসপত্র সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১১ তারিখে রিসর্টটির দখল নেবে প্রশাসন। তারপর সরকারি স্তরে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কীভাবে, কার মদতে নদীর চরে ওই রিসর্টটি তৈরি করা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

অভিযোগ, ওই রিসর্টের মালিক সৌমেন মালাকারের সঙ্গে কলকাতার কোনও এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার যোগাযোগ ছিল। তাঁর মদতেই তিনি এই এলাকায় রিসর্টটি তৈরি করতে পেরেছেন বলেও অভিযোগ। প্রায় ১০-১২ বছর আগে তৃণমূলের কিছু নেতার মদতে কূর্তি নদীর চরের ওই জমি রিসর্টের মালিক নিজের দখলে নেন বলে অভিযোগ। তারপর শুরু হয় নদীর চরের ওপর বিশাল রিসর্ট তৈরির কাজ। বর্তমানে এই রিসর্টে একটি সুইমিং পুলও রয়েছে।

নদীর মূল প্রবাহের ধার ঘেঁষে তৈরি করা হয়েছে ওই রিসর্টটি। এনিয়ে বিজেপির নাগরাকাটা (Nagrakata) বিধানসভার কনভেনার দীপঙ্কর ধর বলেছেন, ‘অতীতে স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের সহযোগিতায় এই ধরনের দুর্নীতি হয়েছে। শুধুমাত্র এটা নয়, আরও বহু রিসর্ট অবৈধভাবে সরকারি জমির ওপর তৈরি হয়েছে। এখন সমস্ত বেআইনি রিসর্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রবিবার ওই রিসর্টে গিয়ে দেখা যায়, নোটিশ লাগানো রয়েছে। মালিক নেই। তাঁকে বিকেল ৫টা নাগাদ ফোন করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে রিসর্টের কেয়ারটেকার মালতী বর্মন বলেছেন, ‘রিসর্টটি অবৈধ নয়। তবে নোটিশ এসেছে।’

প্রসঙ্গত, তৃণমূল জমানায় বছর দুয়েক আগে মূর্তি, ধূপঝোরা, লাটাগুড়ি এলাকার সরকারি জমির ওপরে থাকা বেশ কিছু রিসর্ট প্রশাসন ভেঙে দিয়েছিল। তবে তারপর অবৈধ রিসর্টগুলি রমরমিয়ে চলছিল। সেই খবর উত্তরবঙ্গ সংবাদে প্রকাশিত হয়। এনিয়ে নাগরাকাটার বিধায়ক পুনা ভেংরা বলেছেন, ‘সরকারি জমির উপর কোনও অবৈধ নির্মাণ মানা হবে না। প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।’

এবার সরকার বদল হতেই ফের অ্যাকশন মুডে নেমেছে প্রশাসন। রিসর্ট মালিকদের সংগঠন গরুমারা ট্যুরিজম ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওই রিসর্টটি আমাদের সংগঠনের আওতায় নেই। প্রশাসন প্রশাসনের মতো ব্যবস্থা নেবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *