কামারহাটি পুরসভায় চেয়ারম্যান পদে লকেটের ভাই! কীসের ভিত্তিতে? রিপোর্ট তলব শমীকের

কামারহাটি পুরসভায় চেয়ারম্যান পদে লকেটের ভাই! কীসের ভিত্তিতে? রিপোর্ট তলব শমীকের

রাজ্য/STATE
Spread the love


বিজেপির দখলে কামারহাটি পুরসভা! সরকার বদলের পরেই পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেন গোপাল সাহা। তাৎপর্যপূর্ণভাবে কয়েকদিনের মাথায় সেই পদেই বসেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের ভাই সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়। এরপরেই রাজ্য রাজনীতিতে জোর জল্পনা তৈরি হয়, তাহলে কামারহাটি পুরসভা বিজেপির দখলে! এহেন জল্পনার মধ্যেই এই ইস্যুতে মুখ খুললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। দলের একাংশকে রীতিমতো কড়া বার্তা দিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই ধরনের ‘দখলদারি’র রাজনীতিকে কখনই প্রশয় দেওয়া হবে না। শুধু তাই নয়, কামারহাটির ঘটনায় রিপোর্টও তলব করেছেন শমীকবাবু।

শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ”যে কেউ আসবে, নিজেকে কাউন্সিলর বানিয়ে ফেলবেন, দল চুপ করে মেনে নেবে? এটা হতে দেওয়া যাবে না।”

আরও পড়ুন:

রাজ্যে পালাবদলের পরেই একের পর এক পুরসভায় দেখা দেয় ডামাডোল! একের পর এক পুরসভা হাতছাড়া হয় তৃণমূলের। এরমধ্যেই গত ১২ জুন কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান এবং কাউন্সিলর—দুই পদ থেকেই ইস্তফা দেন গোপাল সাহা। এরপর ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দীপাংশু ঘোষাল, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষ্মী বিশ্বাস এবং ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের শ্যামল চক্রবর্তীও কাউন্সিলর পদ ছাড়েন। গোপাল সাহার ইস্তফার পর থেকেই চেয়ারম্যান পদে বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের দাদা তথা নির্দল কাউন্সিলর সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নাম সামনে আসে।

গত শুক্রবার তৃণমূল কাউন্সিলরদের সমর্থনেই কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। বোর্ড বৈঠকে উপস্থিত ২৭ জন কাউন্সিলরের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নাম চূড়ান্ত হয়। এরপরেই প্রচার শুরু হয়, বিজেপির দখলে কামারহাটি পুরসভা! যা নিয়ে আজ, সোমবার প্রকাশ্য মঞ্চ থেকেই ক্ষোভ উগরে দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এদিন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে মুরলীধর সেন লেনে বিজেপির দপ্তরে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানেই শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ”যে কেউ আসবে, নিজেকে কাউন্সিলর বানিয়ে ফেলবেন, দল চুপ করে মেনে নেবে? এটা হতে দেওয়া যাবে না।”

এই বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্টও তলব করেন রাজ্য সভাপতি। জানান, কামারহাটির ঘটনা বিস্তারিত খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দিতে হবে। রাজ্য সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তীকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে চারটের মধ্যে রিপোর্ট দেওয়ারও নির্দেশ দেন শমীক ভট্টাচার্য।  স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কামারহাটি নিয়ে যে প্রচার চালানো হচ্ছে তা হতে দেওয়া চলবে না। এমনকী কোনও নেতা, মন্ত্রী কিংবা বিধায়কের যে কথা চলবে না তাও এদিন বুঝিয়ে দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *