Uncommon spicies of snake present in north bengal close to tista

Uncommon spicies of snake present in north bengal close to tista

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


প্রবল বৃষ্টিতে ফুঁসছে তিস্তা। বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে জল। এরমধ্যেই তিস্তাপাড়ে বিরল প্রজাতির সাদা অজগরকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার ভোররাতে সিকিমের লিউখেভির এলাকায় সাদা রঙের বিশাল ওই অজগরটি দেখতে পান হড়পা বানের আতঙ্কে রাতজাগা স্থানীয় মানুষজন। সাধারণত সাদা অজগর বলতে বোঝানো হয় কৃত্রিমভাবে প্রজনন করা সম্পূর্ণ সাদা কোনও বিশেষ রূপ যেমন, লিউসিস্টিক বা অ্যালবিনো, অথবা ‘হোয়াইট-লিপড পাইথন’-এর প্রজাতি। তবে তিস্তায় যে সাদা অজগর দেখা গিয়েছে সেটি কোন প্রজাতির জানা সম্ভব হয়নি। এমনকী সেটি কোথা থেকে সেখানে এল তাও স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যে বনদপ্তরের আধিকারিকরা উদ্ধার হওয়া অজগরটি উদ্ধার করেছে।

প্রাক্তন এই বনকর্তার কথায়, নিউগিনি অঞ্চলে সাদা ঠোঁট যুক্ত অজগর দেখা যায়। এদের মাথা ও মুখের অংশ চকচকে কালো এবং ঠোঁট পুরোপুরি সাদা হয়।

আরও পড়ুন:

রাজ্যের প্রাক্তন বনকর্তা কল্যাণ দাস জানান, এটা বিরল ঘটনা। সাদা অজগর হলেও সচরাচর দেখা যায় না। এগুলো মূলত প্রাকৃতিক জিনের পরিবর্তন অথবা ‘অ্যালবিনিজম’-এর কারণে সাদা ও হালকা হলুদ রঙের হয়ে থাকে। এদের শরীরে মেলানিন নামে রঞ্জক পদার্থ থাকে না। তাই গায়ের চামড়া বা আঁশ সাদা রঙের হয় এবং চোখগুলো সাধারণত গোলাপি অথবা লালচে রঙের দেখায়। যেমন, কালোচিতা। সাদা অজগর বিষহীন হয় এবং অন্য অজগরের মতো পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে শিকার শিকার ধরে। এগুলো মানুষ অথবা বড় প্রাণীদের আক্রমণ করতে পারে। যেহেতু এগুলোর গায়ের রঙ গাঢ় না হয়ে সাদা হয়, তাই বন্য পরিবেশে এরা নিজেদের লুকিয়ে রাখতে বা ছদ্মবেশ ধারণ করতেয় পারে না। ফলে বন্য পরিবেশে এদের বেঁচে থাকা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
‘ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ‘ – এর পাতায়।

চোখ রাখুন

এই সাপটিই এদিন উদ্ধার হয়েছে।

প্রাক্তন এই বনকর্তার কথায়, নিউগিনি অঞ্চলে সাদা ঠোঁট যুক্ত অজগর দেখা যায়। এদের মাথা ও মুখের অংশ চকচকে কালো এবং ঠোঁট পুরোপুরি সাদা হয়। অ্যালবিনো বার্মিজ অজগর খুব বড় আকারের হয়। এদের গায়ের রঙ নিখুঁত সাদা ও উজ্জ্বল হলুদের মিশ্রণ হয়ে থাকে।

লিউসিস্টিক বা অ্যালবিনো, অথবা ‘হোয়াইট-লিপড পাইথন’-এর প্রজাতিগুলিতে সাদা অথবা প্রায়-সাদা রূপভেদ রয়েছে। যেমন, ব্লু-আইড লিউসিস্টিক। এদের শরীর সম্পূর্ণ উজ্জ্বল সাদা। কোনও ছোপ অথবা নকশা থাকে না। চোখগুলো হয় গাঢ় নীল রঙের। দ্বিতীয়ত, ‘বল পাইথন’ অথবা ‘রেটিকুলেটেড পাইথন’। অ্যালবিনো পাইথনের রঙে সাদার সঙ্গে মাখন-হলুদ অথবা পিচ রঙের মিশ্রণ দেখা যায়।

আরও পড়ুন:

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
‘ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ‘ – এর পাতায়।

চোখ রাখুন

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *