Trinamool Congress image | জোড়াফুল প্রতীক কার দখলে? দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনে তলব করা হলো তৃণমূলের দুই শিবিরকে

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ ঘাসফুল প্রতীক (Trinamool Congress image) এবং দল কার দখলে থাকবে, সেই সংক্রান্ত দীর্ঘ আইনি ও রাজনৈতিক লড়াই কি তবে এবার শেষের পথে? জোড়াফুল প্রতীক সংক্রান্ত বিবাদের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করতে এবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের মুখোমুখি হতে চলেছে তৃণমূলের দুই পক্ষ। আজ, বৃহস্পতিবার বিকেলে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে আলাদাভাবে বৈঠকে বসছে কালীঘাট ও ঋতব্রত—উভয় শিবিরই। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকের পরেই প্রতীকের মালিকানা নিয়ে বড় কোনো নির্দেশিকা বা ফয়সালা আসতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ দুপুর তিনটের সময় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলকে তলব করা হয়েছে। এর ঠিক এক ঘণ্টা পর, অর্থাৎ বিকেল চারটেয় কমিশনের দফতরে হাজিরা দেবে কালীঘাট তৃণমূলের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল। কালীঘাটের এই প্রতিনিধি দলে থাকছেন রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং লোকসভার সাংসদ ও বিশিষ্ট আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল অর্থাৎ বুধবারই দুই পক্ষের তরফে সমস্ত প্রয়োজনীয় আইনি নথি ও প্রামাণ্য দলিল কমিশনের হাতে জমা দেওয়া হয়েছে। দুই শিবিরের সওয়াল-জবাব শোনার পরেই নির্বাচন কমিশন প্রতীক নিয়ে তাদের চূড়ান্ত অবস্থান স্পষ্ট করতে পারে বলে খবর।

এদিকে প্রতীক নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও, আগামী উপনির্বাচন নিয়ে ইতিমধ্যেই কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে দুই পক্ষই। নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর—উভয় কেন্দ্রেই দুই শিবির আলাদাভাবে প্রার্থী ঘোষণা করেছে এবং দু’পক্ষেরই দাবি, তারা জোড়াফুল প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে লড়বে। গতকালই ছিল এই দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এখনও প্রতীক সংক্রান্ত কোনো ফয়সালা না করায়, আসন্ন উপনির্বাচনে আদৌ জোড়াফুল প্রতীক মাঠে থাকবে কি না এবং কার হাতে প্রতীক বরাদ্দ হবে, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

জাতীয় রাজনীতির আঙিনায় এমন ঘটনার নজির অবশ্য নতুন নয়। এর আগে মহারাষ্ট্রে শিবসেনার হাতবদল নিয়ে যখন তীব্র রাজনৈতিক সংঘাত তৈরি হয়েছিল, তখন নির্বাচন কমিশন কাউকেই মূল প্রতীক দেয়নি। উদ্ধব ঠাকরে এবং একনাথ শিন্ডে—উভয় পক্ষকেই মূল দলীয় নাম ও ‘ধনুক-তির’ প্রতীক ব্যবহার করা থেকে বিরত রেখেছিল কমিশন। পরিবর্তে শিন্ডে শিবিরকে নতুন নাম ও ‘তরোয়াল-ঢাল’ এবং উদ্ধব শিবিরকে ‘মশাল’ প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলার শাসকদলের এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে নির্বাচন কমিশন ঠিক কোন পথে হাঁটে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র রাজনৈতিক মহল। আজকের এই হাই-ভোল্টেজ বৈঠকের ফলাফলই নির্ধারণ করতে চলেছে জোড়াফুলের ভবিষ্যৎ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *