তমালিকা দে, শিলিগুড়ি: পর্যটন মরশুমে বুকিং ফুল টয়ট্রেনে (Toy Prepare)। পর্যটকদের ভিড়ে টিকিট না পেয়ে প্রতিদিনই মন খারাপ করে ফিরতে হচ্ছে প্রচুর পর্যটককে। ভরা মরশুমে টয়ট্রেনের চাহিদা থাকায় স্পেশাল সার্ভিসও চালু করার ভাবনা রয়েছে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের। প্রতিদিন মোট ১৩টি টয়ট্রেন পরিষেবা রয়েছে। ৯টি ডিজেল ও ৪টি বাষ্পচালিত ইঞ্জিনে। গরমের ছুটি শুরু হওয়ায় ও ভোট পর্ব মিটতেই পাহাড় এখন পর্যটকদের ভিড়ে ঠাসা। দেশবিদেশ থেকে ঘুরতে আসা পর্যটকদের আকর্ষণের অন্যতম হল টয়ট্রেন। পাহাড়ি পথে সবুজে ঘেরা সৌন্দর্য উপভোগ করতে টয়ট্রেনে সওয়ারি হতে চাইছেন অনেকেই। রেলের তরফে জানানো হয়েছে, প্রতিটি টয়ট্রেনই পর্যটকে ঠাসা থাকায় ২০ থেকে ২৫ জন পর্যটককে প্রতিদিন ওয়েটিংয়ে থাকতে হচ্ছে।
২০২৪-’২৫ সালের রেকর্ড ভেঙে ২০২৫-’২৬ অর্থবর্ষে যাত্রী সংখ্যায় নতুন রেকর্ড গড়েছিল দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে। গতকয়েক বছরের রেকর্ড ভেঙে ২ লক্ষ ১৫ হাজার ৪৩২ জন যাত্রী নিয়ে গতবছর রেকর্ড করেছে ডিএইচআর। যার ফলে রেলের মোট আয় হয়েছে ২৫ কোটি ৩৭ লক্ষ ৭৬ হাজার ১৩০ টাকা। রেলের এই সাফল্যে খুশি হয়েছিল রেলমন্ত্রকও। চলতি বছর পর্যটকদের সুবিধার্থে পরিষেবার দিকেও নজর দিয়েছে ডিএইচআর। পর্যটকদের ভিড়ে গতবছরের রেকর্ড ভাঙবে বলে আশা করছে রেল কর্তৃপক্ষ। ডিএইচআরের ডিরেক্টর ঋষভ চৌধুরী বলেন, ‘প্রতিটি ট্রেনে পর্যটক ঠাসা। পর্যটনের মরশুমে চাহিদা তুঙ্গে রয়েছে। অনেকেই টিকিট পাচ্ছেন না।’
গতবছরের সাফল্য থেকে চলতি বছর টয়ট্রেনের আকর্ষণ আরও বাড়িয়ে তোলার জন্য যাত্রীদেরও আরামদায়ক পরিষেবা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যাত্রাপথে রেললাইনের ধারে যাতে কোনও গাড়ি অবৈধভাবে পার্কিং না করা হয় সেজন্যও সচেতন করা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। দেশবিদেশ থেকে ঘুরতে এসে পর্যটকদের টয়ট্রেনের চাহিদা দেখে ছুটির দিনগুলোতে স্পেশাল সার্ভিস দেওয়ার কথা ভাবছে ডিএইচআর কর্তৃপক্ষ।
