TMC MLA Prasun Banerjee | ‘পঞ্চায়েতে টিকিট থেকে বোর্ড গঠন—সবেতেই টাকার খেলা’, চাঁচলে বিস্ফোরক বিধায়ক প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়

TMC MLA Prasun Banerjee | ‘পঞ্চায়েতে টিকিট থেকে বোর্ড গঠন—সবেতেই টাকার খেলা’, চাঁচলে বিস্ফোরক বিধায়ক প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়

শিক্ষা
Spread the love


সামসী: একুশে জুলাইয়ের শহীদ সমাবেশকে সামনে রেখে আয়োজিত প্রস্তুতি সভা থেকে নিজ দলের কালীঘাটপন্থী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন মালদা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা চাঁচলের বিধায়ক প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় (TMC MLA Prasun Banerjee)। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে টিকিট বণ্টন থেকে শুরু করে বোর্ড গঠন পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে ব্যাপক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তুলে তিনি রাজ্য রাজনীতির উত্তাপ বাড়িয়ে দিলেন।

রবিবার রাতে চাঁচলের থানাপাড়ার এক বেসরকারি আবাসনে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় বিধায়ক প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ‘নবজোয়ার’ কর্মসূচির আড়ালে ক্যামাক স্ট্রিট ও আইপ্যাকের যোগসাজশে গোটা রাজ্যে টিকিট বিক্রির রমরমা চলেছিল। তিনি বলেন, মালদা জেলায় নির্বাচনকে ব্যবসায় পরিণত করা হয়েছে। টাকা দিয়ে টিকিট কেনা এবং প্রধানের পদ পাইয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। টাকার বিনিময়ে টিকিট দেওয়ার ফলেই দলের জনপ্রিয়তা ২১১ থেকে ৮০-তে নেমে এসেছে।

মালতীপুরের বিধায়ক তথা প্রাক্তন জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বকসি ও তাঁর পরিবারের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “মালদায় বাবা-ছেলের সাম্রাজ্যে টাকা ছাড়া কিছুই হয়নি।”

প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন যে, একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচির পরবর্তী সময়ে তিনি দলের চেয়ারম্যান ও সভাপতির হাতে টিকিট বিক্রি ও আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত সমস্ত নথি প্রমাণ হিসেবে তুলে দেবেন। এরপর দলীয় নেতৃত্ব যে সিদ্ধান্ত নেবে, তা তিনি মাথা পেতে নেবেন।

তৃণমূলের অন্দরের এই সংঘাতকে হাতিয়ার করেছে বিরোধী শিবির। বিজেপি নেতা দীপঙ্কর রাম বলেন, “তৃণমূলের দুর্নীতির কথা আমরা অনেকদিন আগেই বলেছি। এখন তাদের নিজেদের বিধায়কই তা স্বীকার করছেন। এটা আসলে নিজেদের গা বাঁচানোর চেষ্টা।” যদিও এই বিষয়ে মালতীপুরের বিধায়ক আব্দুর রহিম বকসি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

দলের অন্দরেই জেলা সভাপতির এই বিস্ফোরক মন্তব্য মালদা জেলার তৃণমূল কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *