TMC Image Fund Dispute challenge | তৃণমূলের প্রতীক-তহবিলে অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা! বিচারককে ‘কুমন্তব্য’ মমতার আইনজীবীদের

TMC Image Fund Dispute challenge | তৃণমূলের প্রতীক-তহবিলে অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা! বিচারককে ‘কুমন্তব্য’ মমতার আইনজীবীদের

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: তৃণমূলে ফাটল এবং ক্ষমতার লড়াই এবার আদালত কক্ষে নজিরবিহীন সংঘাতের রূপ নিল। দলের প্রতীক (TMC Image Fund Dispute challenge) এবং কোটি কোটি টাকার তহবিল ব্যবহারের ওপর আলিপুর আদালতের দেওয়া অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞাকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদ জানানো হয় আদালত চত্বরে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী তথা তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে আলিপুর আদালতের বিচারককে ‘কুমন্তব্য’ এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একতরফা নির্দেশ দেওয়ার প্রতিবাদে বিচারকের এজলাসেই তুমুল বিক্ষোভ দেখান মমতাপন্থী আইনজীবীরা। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, অভিযুক্ত আইনজীবীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ চেয়ে জেলা জজের দ্বারস্থ হয়েছেন বিচারক।

দলের অন্দরে ভাঙন স্পষ্ট হতেই তৃণমূলের (TMC) প্রতীক ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে থাকা দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই শিবিরের দ্বন্দ্ব এখন তুঙ্গে। কালীঘাট শিবির দলীয় অর্থ অন্যত্র সরিয়ে ফেলতে পারে— এই আশঙ্কা প্রকাশ করে ঋতব্রত শিবিরের পক্ষে স্বরূপ বিশ্বাসের স্ত্রী জুঁই বিশ্বাস আলিপুর আদালতে মমতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলেন। সেই মামলার শুনানিতে আদালত  অন্তর্বর্তী নির্দেশ জারি করে। আদালত সাফ জানায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) সহ কালীঘাট শিবিরের কোনও নেতাই আপাতত নিজেদের দলের পদাধিকারী হিসেবে পরিচয় দিতে পারবেন না। শুধু তাই নয়, দলের কোনও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করা কিংবা সম্পত্তি ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নিয়ে কোনওরকম পদক্ষেপ করার ওপরেও নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়।

কালীঘাট শিবিরের আইনজীবীদের মূল ক্ষোভ, আগামী ৬ অগাস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের কোনও বক্তব্য না শুনেই একতরফাভাবে এই অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। শুনানির দিন এগিয়ে আনার দাবি জানিয়ে আলিপুর সিনিয়র ডিভিশন আদালতের বিচারকের ওপর মমতাপন্থী আইনজীবীরা প্রবল চাপ সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ। বিক্ষোভ দেখানোর সময় বিচারকের উদ্দেশ্যে ‘অসংসদীয়’ ও চরম আপত্তিকর শব্দ প্রয়োগ করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার পরই বিচারক আইনজীবীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা জজের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন।

এর আগে ঋতব্রত শিবির আদালতে জানিয়েছিল, দলের অর্থ-সহ গুরুত্বপূর্ণ নথি নষ্ট বা পরিবর্তন করতে পারেন মমতারা। তাতে আদালতের পর্যবেক্ষণ, কে তৃণমূল দলের আসল সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক, তার জন্য শুনানি হবে। তবে তার আগে অন্তর্বর্তী নির্দেশ জারি করা প্রয়োজন। না হলে টাকা খরচ, নথি নষ্ট এবং সম্পত্তির ক্ষতি আটকানো যাবে না। এমনিতে প্রতি এক বছর অন্তর তৃণমূলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়। এ ক্ষেত্রে শেষ বার ২০২২ সালে কমটি গঠিত হয়েছিল বলে অভিযোগ। তার মেয়াদ শেষ হয়েছে কি না, গত ২২ জুন ঋতব্রতদের আয়োজিত বিশেষ অধিবেশন বৈধ কি না, ৫ জুন কালীঘাটে আয়োজিত বৈঠক বৈধ কি না, প্রশ্ন ওঠে। আদালতের অন্তর্বর্তী নির্দেশ ঋতব্রত শিবিরের পক্ষেই গিয়েছিল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *