ত্রিকোণ প্রেমের জেরে খুন হাওড়ার নাবালিকা, সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ পুলিশের

ত্রিকোণ প্রেমের জেরে খুন হাওড়ার নাবালিকা, সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ পুলিশের

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


ত্রিকোণ প্রেমের জেরেই দশম শ্রেণির ছাত্রীকে ভরসন্ধ্যায় প্রকাশ্য রাস্তায় খুন?  বুধবার রাতে আন্দুলের খটির বাজার চাঁদনিবাগান এলাকার ঘটনায় জখম হতে হয় ছাত্রীর প্রেমিকও। গুরুতর আহত অবস্থায় বুধবার রাতে নাবালিকার প্রেমিক ভর্তি হয় হাওড়া জেলা হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত সেখানে চিকিৎসাধীন ছিল সে। এমনকী গণপিটুনিতে আহত হওয়া অভিযুক্ত সমীরও বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত হাওড়া জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।

ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, ত্রিকোণ প্রেমের জেরেই খুন হতে হয়েছে। নাবালিকা তার পাশের পাড়ার বন্ধু আকাশকে ভালবাসত। আবার চাঁদনিবাগানে ভাড়াবাড়িতে থাকা বছর সাতাশের সমীরও নাবালিকার প্রেমে পড়ে যায়। তবে প্রেম প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি নাবালিকা। তাই নাবালিকার সঙ্গে অন্য নাবালিকার ভালোবাসার সম্পর্ক মেনে নিতে পারছিল না অভিযুক্ত সমীর। সেই আক্রোশ থেকেই বুধবার সন্ধ্যায় নাবালিকাকে তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে দেখে ছুরি চালিয়ে দেয় সমীর। বাঁচাতে গিয়ে আহত হয় নাবালিকার প্রেমিক।

আরও পড়ুন:

হাওড়া জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নাবালিকার প্রেমিক। সে জানায়, ‘‘ঋতিকা আমার খুব ভালো বন্ধু। আমাদের পাশের পাড়াতেই থাকতো। আমাদের বাড়িতে মাঝে মাঝে আসতো। বুধবার সন্ধ্যায় আমি রাস্তা দিয়ে যেতে গিয়ে দেখি, ঋতিকাকে সমীর ছুরি দিয়ে মারছে। আমি ওকে বাঁচাতে গেলে আমাকেও ছুরি দিয়ে আঘাত করে সমীর। সমীর ওকে খুন করে দিল।’’ হাওড়া জেলা হাসপাতালে উপস্থিত নাবালকের দাদু অশোক রায় বলেন, ‘‘নিহত নাবালিকা আমাদের বাড়িতে মাঝে মাঝেই আসতো। ও আমার নাতির বন্ধু ছিল। সমীর নাবালিকার সঙ্গে জোর করে সম্পর্ক তৈরি করতে চাইছিল। ও সম্পর্ক স্থাপন না করাতেই ওকে খুন করল সমীর।’’ এই প্রসঙ্গে হাওড়া সিটি পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিক জানান, ‘‘প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, প্রেমের সম্পর্কের জেরেই সমীর নাবালিকাকে খুন করে। নাবালিকা ও তার প্রেমিকের সম্পর্ক মেনে নিতে পারছিল না অভিযুক্ত সমীর। তাই সে খুন করেছে বলে মনে হচ্ছে। সমীর একটু সুস্থ হলেই ওকে আমরা গ্রেপ্তার করব।’’ এই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *