TMC corruption allegations | ‘মন সায় না দিলেও দলের হয়ে মিথ্যে বলতাম’, তৃণমূলের অন্দরের ‘টাকা লেনদেনের’ হাঁড়ি হাটে ভাঙলেন ঋজু

TMC corruption allegations | ‘মন সায় না দিলেও দলের হয়ে মিথ্যে বলতাম’, তৃণমূলের অন্দরের ‘টাকা লেনদেনের’ হাঁড়ি হাটে ভাঙলেন ঋজু

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সইংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরেই তৃণমূলের অন্দরে বিদ্রোহের সুর। সাসপেন্ড হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দলের বিরুদ্ধে একের পর এক ‘বোমা’ ফাটালেন তৃণমূলের প্রাক্তন মুখপাত্র ঋজু দত্ত। নিয়োগ দুর্নীতিকে ‘পাপ’ বলে অভিহিত করার পাশাপাশি উত্তর কলকাতায় নিজের পরিবারের ওপর হওয়া হামলার ঘটনায় বিজেপির সাহায্য পাওয়ার কথাও স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি (TMC corruption allegations)।

নিয়োগ দুর্নীতি প্রসঙ্গে ঋজু দত্তর সাফ কথা, “চাকরি বিক্রি হয়নি এ কথা বলার মতো পাপ কিছু হতে পারে না। চাকরি বিক্রি যে হয়েছে তা আজ প্রমাণিত।” তিনি আরও জানান যে, আরজি কর বা সন্দেশখালির মতো ঘটনায় যখন দল কোণঠাসা ছিল, তখন মুখপাত্র হিসেবে বাধ্য হয়েই তিনি দলকে ‘ডিফেন্ড’ করেছেন। ঋজুর আক্ষেপ, “মন থেকে সায় না দিলেও দল বলে দিত তাই বাধ্য হয়ে দুর্নীতির পরেও ডিবেট করতাম।”

সাধারণ মানুষের দুর্দশার ছবি তুলে ধরে ঋজু বলেন, “কলকাতা বা শহরতলিতে নিজের বাড়িতে এক তলা বাড়াতে গেলেও কর্পোরেশনে টাকা দিতে হয়। এমনকি বাড়িতে কোমোড বসাতে হলেও তৃণমূলের লোকেদের টাকা দিতে হয়।” তাঁর দাবি, মানুষ এখন ‘নতুন স্বাধীনতার স্বাদ’ পেয়েছে এবং মন খুলে কথা বলতে পারছে।

তৃণমূলের নির্বাচনী রণকৌশল নির্ধারণকারী সংস্থা আইপ্যাক-এর (I-PAC) বিরুদ্ধেও তোপ দেগেছেন ঋজু। তাঁর অভিযোগ, “প্রতীক জৈন দল চালাতেন, তৃণমূল নয়। টিকিটের জন্য সত্যি টাকা চাওয়া হতো। আমার কাছেও ৫০ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছিল।”

বর্তমানে ঋজু বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে থাকলেও তিনি তা অস্বীকার করেছেন। তবে উত্তর কলকাতার বিজেপি নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি জানান, তাঁর শ্বশুরমশাইয়ের ওপর হামলার সময় বিজেপি নেতারাই পরিবারকে প্রোটেকশন দিয়েছেন। এমনকি বিজেপি বিধায়ক রিতেশ তিওয়ারি তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন।

এই প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ রাহুল সিনহার কটাক্ষ, “এখন গলা ধাক্কা খেয়ে অনেকের চৈতন্য ফিরতে শুরু করেছে। এছাড়া তো আর উপায় নেই।”

রাজ্য রাজনীতিতে ঋজু দত্তর এই বিদ্রোহ আগামী দিনে তৃণমূলের অস্বস্তি আরও বাড়াবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *